শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানির সুবিধা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম কলেজে ‘সজীবতা’ নামে একটি রিফ্রেশমেন্ট জোন স্থাপন করছে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।
‘বিশুদ্ধ পানি, পরিচ্ছন্নতা ও সুস্থ জীবনের প্রত্যয়ে’ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রিফ্রেশমেন্ট জোনটিতে থাকবে ডিপ টিউবওয়েল ও ওয়াশরুম সুবিধা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম কলেজ প্রাঙ্গণে ‘সজীবতা’ রিফ্রেশমেন্ট জোনের কাজের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী সাইয়েদ ফুয়াদুল খলিল আল ফাহমী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন।
চট্টগ্রাম কলেজে এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার বয়ে আনবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসে আগত মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই ‘সজীবতা’ রিফ্রেশমেন্ট জোন স্থাপন করা হচ্ছে। জনকল্যাণমূলক এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন দীর্ঘ আট বছরের বেশি সময় ধরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এর উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে করোনা মহামারিতে মরদেহ দাফন সেবা, বন্যায় ত্রাণ বিতরণ, দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ, ‘যাকাত স্বাবলম্বী’ প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, টিউবওয়েল স্থাপন, মসজিদ পুনর্নির্মাণ এবং ‘মেহমানখানা’।












