সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহতের নাম মো. হামিম (২০)। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কেরানীহাট সিটি সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোঃ হামিম উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের
আফজল নগর সোলতান সওদাগরের বাড়ির মৃত ফরিদুল আলমের ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রোহান উদ্দিন (২০) নামের এক যুবককে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছে জনতা। রোহান একই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কাজীরখীল এলাকার ওসমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, হামিম ও রোহানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরে তাদের মধ্যে ইতিপূর্বে একাধিক বার মারামারির ঘটনা ঘটে। দুই জনের মধ্যে চলমান বিরোধ মীমাংসার জন্য গতকাল রাতে কেরানীহাট সিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলায় একটি চায়ের দোকানে বৈঠকে বসে। বৈঠক চলাকালে হামিম ও রোহানের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় রোহান হঠাৎ করে ছুরি বের করে হামিমকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে উপস্থিত লোকজন গুরুতর অবস্থায় হামিমকে উদ্ধার করে কেরানীহাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য
চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চমেক হাসপাতালে নেয়ার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক হামিমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, হামিম মারা যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত লোকজন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রোহানকে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশের নিকট সোপর্দ করে।
নিহতের মামা মোঃ মহিউদ্দিন জানান, আমার ভাগিনাকে বৈঠকের কথা বলে কেরানীহাট সিটি সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রতিপক্ষের লোকজন পূর্বে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। আমার ভাগিনাকে একা পেয়ে তারা ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে হামিম নামক এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় লোকজন রোহান নামক এক যুবককে আটক করে পুলিশে নিকট সোপর্দ করেছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে।












