একটি আঞ্চলিক পত্রিকাকে যে সব দিক বা বিষয়ে লড়াই করে টিকে থাকতে হয় চট্টগ্রামের পত্রিকা ‘দৈনিক আজাদী’ দীর্ঘ সময় ধরে সে সব সমস্যার প্রায় সবগুলোর সাথে লড়াই করে আজও টিকে আছে। এই সত্য উপলব্ধির মাধ্যমে দৈনিক সংবাদপত্র হিসেবে বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রকাশনা শিল্পের অভিযাত্রায় অন্যতম অগ্রপ্রথিক, চট্টগ্রামের সাংবাদপত্র, সাংবাদিকতা ও আধুনিক মুদ্রণ শিল্প জগতের অন্যতম পথিকৃৎ, চট্টগ্রামের প্রথম ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও প্রাচীনতম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদীর প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল খালেক দৈনিক আজাদী প্রকাশ করে ১৯৬০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে চট্টগ্রামের মানুষের সাথে সুখে দুখে জড়িয়ে আছেন। আজও মোমিন রোড চেরাগী পাহাড়ে মোড়ে গেলে একবার আজাদী অফিসের দিকে উঁকি মারি। প্রথমে আজাদী অফিসে যাওয়ার কথা মনে পড়ে যায়। ১৯৮৬ সালে বিশ্ব ফুটবলে আজাদী এক অভিনব পদ্ধতি চালু করেন দর্শকের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতা। ফাইনালে আর্জেন্টিনা–পশ্চিম জার্মানিকে ৩–২ হারিয়ে দিয়াগো মারাডোনার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। আমি সেই কুইজ প্রতিযোগিতা ফাইনালে অংশ গ্রহণ করে কুইজ জিতে ছিলাম। সেই থেকে আজাদীর সঙ্গে জড়িয়ে গেলাম। কত শতবার আজাদী অফিসে গিয়েছি মানবিক বা সামাজিক কারণে নিউজ দিতে আর কত বার আমাদের নিউজ ছাপানো হয়েছে তা বলে শেষ করা যাবে না। ‘সুখে দুখে’ বিভাগে আমার কত অনুভূতি প্রকাশিত হয়েছে তা বলে শেষ করা যাবে না। আজ আজাদী সম্পাদকসহ আজাদী পরিবারের সকল সদস্যকে জানাই আমার পক্ষে থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।











