দেশ হতে দেশান্তরে

মরুর আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা

সেলিম সোলায়মান | রবিবার , ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৫:৫৩ পূর্বাহ্ণ

ছুটি শেষে পড়েছি এসে ঘটনার ঘনঘটার মধ্যে। আশার বিষয় ঘটনাসমূহ ঘটছে ভাল। প্রথমত, পরিকল্পনা ও আশা করেছিলাম যেমন, তেমনি দুর্দান্ত হয়েছে আহমেদ নাশাতের নিউ প্রোডাক্ট লঞ্চ প্রোগ্রাম। এদিকে, টেন্ডার ম্যানেজার নাহরাওয়ির কাছ থেকে খবর পেয়ে, ইন্সটিটিউশন ম্যানেজার তালাতের নাকের সামনে ঝুলতে থাকা পাকা ফলের দিকে ইঙ্গিত যে করেছিলাম, দ্রুতই সেই অর্ডার কব্জা করেছে সে। গত কয়েকদিন উচ্চরবে বাজিয়ে চলেছে তা নিয়ে আপন বাদ্য। পাচ্ছে হাসি তাতে। সমস্যা কী? দরকার তো কর্মসম্পাদন। কোম্পানিতে দিন শেষে সংখ্যাহি কেবলম। টপ, মিডল এন্ড বটম লাইনের সংখ্যা ঠিক, তো সব ঠিক। দু দুবার ডেটলাইন মিস করলেও, রাজভির পেছনে লেগে থাকায়, গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট রিসার্চের ফলাফল এসেছে হাতে। সবাইকে অবাক করে দেয়া ঐ ফলাফল নিয়ে নতুন উদ্যমে কাজে ব্যস্ত বিপণন টিম। বছরের পর বছর সৌদিতে কাজের অভিজ্ঞতার গরিমায়, সবজান্তা যে ভাব ছিল খোদ রাজভিসহ অনেকের মধ্যে, শুরুতে খেয়েছিল তা বেজায় ধাক্কা, ঐ ফলাফলে। আসার পর থেকেই খুঁজছিলাম কিছু প্রশ্নের উত্তর। তাতে সদুত্তরের বদলে পেয়েছিলাম, ইংরেজিতে যাকে বলে “উইশ ফুল থিংকিং” তা। এখানকার বেশীরভাগ ডাক্তারই বিদেশী। যাঁদের মধ্যে তুমুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মিশরি। মিশরিরা আরবি বলতে পারলেও, যেহেতু বেসরকারি হাসপাতাল তো অবশ্যই, এমনকি সরকারী হাসপাতালেও, ঘণ্টায় কতজন রুগী দেখতে হবে, এমন টার্গেটে রোগী দেখতে ডাক্তারদের, পায় না যথেষ্ট সময়, রোগীরা।

তারপর ব্যবস্থাপত্র যায় নার্সদের স্টেশনে। ওখানে তো মূলত সব ফিলিপিনো নয়তো মাদ্রাজি নার্স। চলে ওখানে রোগী ও নার্সের মধ্যে ভাষার ধবস্তাধস্তি। তদুপরি এখানকার রোগীরা বিদেশী ডাক্তার নার্স সবাইকে জ্ঞান করে, গোলাম। এসব কারণে ব্যবস্থাপত্রসহ তাদের নানান প্রশ্নের উত্তর তারা কার কাছ থেকে পান? কীইবা সে সব প্রশ্ন? এ নিয়েই ছিল কৌতূহল আমার। রাজভির মার্কেট রিসার্চের ফলাফল বলছে, ঐসব প্রশ্ন এরা করেন, ফার্মেসির ফার্মাসিস্টদের। তারাও যেহেতু মিশরি এবং সময় নিয়ে নাই ওখানে তেমন বাধ্যবাধ্যতা; রোগীদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেন তারাই।

রিসার্চের এই প্রাপ্তি নিয়ে সবারই ভাব ছিল ‘এ আর এমন কী? জানা কথাই তো !’ তবে পরের দুটো ফলাফলে দিয়েছে চমকে, সবাইকে। ঔষধ কিনতে গিয়ে রোগী ক্রেতাদের কাছ থেকে সবচেয়ে আসে বেশী দুটো প্রশ্ন। শরিয়াহ পুলিশের ঘোরানো বেতের নীচে থাকায় এখানকার ক্রেতারা প্রধানত পুরুষ। নিজের জন্য ঔষধ কিনতে গিয়ে, তাদের প্রথম প্রশ্ন– ‘এ ঔষধে যৌন ক্ষমতা কমে যাবে না তো ?’ দ্বিতীয় প্রশ্ন, ‘এটি কি আমেরিকা বা ইউরোপীয় ঔষধ?’ এই দুই প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ হলেই, কেনে তারা!গোটা বিপণন টিম এতে একই সাথে অবাক ও মহা আনন্দিত। কারণ এ তো হলো তাদের ব্র্যান্ডগুলোর জন্য সুখবর। ফুরফুরে মেজাজে ঘুরছে রাজভি তাই! আসসালামু আলাইকুম, . সেলিম। মে উই কাম? আহা, এই বুঝি পড়লাম ঝামেলায়! তারপরও হাসিমুখে বলতেই হল, ওয়াআলাইকুমআসসালাম। অফকোরস গেট ইন প্লিজ। এ হলো হানি বালাগ। দাম্মাআমে কাজ করে। আরামকো তার বড় কাস্টমার, আলহামদুলিল্লাহ দে গেইভ এ বিগ অর্ডার।

একদমই নতুন ঘরানার মানে বায়োটেক গ্রুপের উচ্চমূল্যের, তীব্র হাঁপানিতে অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত আমাদের এই ঔষধটির সম্ভাবনার ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী সবসময়ই আমি। এখন সে যা বলছে, এমনটাই হওয়া উচিৎ। এ পর্যন্ত যে ক’বার বসেছি আফিফির সাথে বসেছি, প্রতিবারই বলেছি। মোটেও গা করছিল না। চলছিল সে তার নিজ চালে। ভাব তার, বস হও আর যাই হও তুমি বাংগাল তো এইখানে দুই দিনের বৈরাগী! এখন তো ঘটেই গেছে ঘটনা। খুলেছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। এই কৃতিত্ব যে দাম্মামের হানি বালাগের তা বুঝতে জ্যোতিষী হওয়া লাগে না। তারপরও তিনজনে মিন্ট টি খেতে খেতে করা আমার টুকটাক প্রশ্নের যে উত্তর দিয়েছে হানি, নিশ্চিত হলাম তাতে।

সাধে কি আর বলে, ইট ইজ মাচ বেটার টু হ্যাভ এ এক্সসিলেন্ট এক্সিকিউশান অব এ ব্যাড প্লান, দেন রাবিস এক্সিকিউশান অব এ গ্রেট প্লান। ওয়েল ডান হানি এন্ড আফিফি। গ্রেট জব। ‘না মানে সমস্যায় পড়েছি। তাই তোমার কাছে এলাম? প্লিজ হেল্প!’ খেলাম ধাক্কা আফিফির এ কথায়! মানে কী সাপ্লাই করার মতো প্রোডাক্ট নাই নাকি? হতেই পারে। কারণ এ হল তার কাছে যাকে বলে উইন্ডফল অপুরচুনিটি। ‘না মানে, . খলিল এই সাপ্লাইটা ধরে রাখতে চাইছে। বলছে জানুয়ারিতে সাপ্লাই করবে। আমার প্রোডাক্ট নিয়ে এরকমই করে সে। পছন্দ করে না তো আমাকে’ অভিযোগ আফিফির! আয়নার মতো পরিষ্কার সেলস হেড খলিলের মতলব। এ বছরের টার্গেট তো নিশ্চিত হয়েই গেছে ১০০ ভাগ। ১০৩% হওয়ার নাই সম্ভাবনা কোনই। এই অর্ডারটা কিছুদিন ধরে রেখে, করতে চাচ্ছে নতুন বছরের উড়ন্ত শুরু।

অসুবিধা কী? আগামী বছরটা চমৎকার শুরু হবে তোমাদের। ‘না মানে, এই সেলসটা এখন হলে, আমি টপ টেন পারফর্মার হতে পারতাম।’ মুখ খুলল হানি। ‘আমারো টার্গেটের অন্তত ৯০% করতে পারতাম!’ আফিফির অনুনয়। আচ্ছা! বুঝেছি আমার ত্রিসিমানা না মাড়ানোর ব্যাপারে বদ্ধপরিকর আহমেদ আফিফি কেন এমন হুড়মুড় দিয়েছেন হাজিরা আমারই ডেরায়! হুম বুঝেছি। অবশ্যই আলাপ করবো খলিলের সাথে। ‘এখনই করো না কেন ফোন?’ আবদার সন্ধিগ্ন আফিফির। তোমরা নিশ্চয়ই খলিলের অফিস থেকে এসেছ এখন? এমন অবস্থায় তোমাদের সামনেই যদি এ ব্যাপারে তাকে ফোন করি, কী ভাববে খলিল? ‘বস, ইউ আর হেড অব মার্কেটিং এন্ড হেড অব স্ট্রাটেজি। তোমার কথা ফেলতে পারবে না খলিল।’ আফিফির এই মন্তব্যের পিছু পিছু এল হানির মন্তব্য– ‘আন্ডারস্ট্যান্ড বস। থ্যাংক ইউ।’ আবারো অভিনন্দন তোমাদের। হানি, শিগগিরই আসবো দাম্মাম, তোমার সাথে কাজ করবো। কিপ আপ ইউর গ্রেট ওয়ার্ক। পিঠ চাপড়াতে চাপড়াতে বললামআমারই এক মেইলের কারণে খলিল ও আমার মাঝে জমে ওঠা বরফ সবেই গলতে শুরু করেছে। এখন এ বিষয়ে এগুই কিভাবে? ওরা দুজন চলে যাবার পর থেকেই ভাবছিলাম তা। ওহ হো, ঐ তো বাজলো টেবিলের ল্যান্ডফোন। দেখি তো ঘটনা এই ঘনঘটার কালে ঘটল কী আবার? ‘হেই,সেলিম পপ ইন টু মাই অফিস, নাউ!’ ধোঁয়ায় মোড়া বসের রুমে দেখি এরই মধ্যে মজুদ, পাবলিক এফেয়ার্স ম্যানেজার রাইদ সোয়াইদ, খলিল আর হেড অফ এইচআর, গিউসি। আবহাওয়া থমথমে। সারাক্ষণ হাসিমুখের, সমস্যাইতো জীবন, ভাবের বস ফিলের এমন চেহারা দেখলাম এই প্রথম। কে জানে? মরুর আকাশে দিয়েছে দেখা দুর্যোগের কোন ঘনঘটা! ‘একদম ছেলেমি করেছে ঐ নাবাল। ইটস নট অনলি এ কমপ্লিট পাবলিক এফেয়ার্স ডিজাস্টার। হেড কোয়ার্টারের কিছু অপগণ্ড কিভাবে, ব্যবসার সুযোগ নষ্ট করে, এ হল তারও উদাহরণ। আছা রাইদ, তুমিই বল এবার সবাইকে।’

ফিল থামতেই, রাইদের বয়ান থেকে জানা গেলসোয়াইন ফ্লু ভ্যাক্সিনের অর্ডার তো আমরা পাইনি। বিশাল সেই অর্ডার পেয়েছে গ্লাক্সো। এ খবর রাজ পরিবারের কাছে পৌঁছুতেই, স্বয়ং রাজা নাকি রাজ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ কোন সদস্য বলেছেন, চীনের তৈরি ঐ ভ্যাক্সিন তাঁরা কেউ নেবেন না। সাথে প্রশ্ন রেখেছেন, ইউরোপ আমেরিকায় তৈরি ভ্যাক্সিন কেনা হল না কেন? এ তো ভাল খবর? তবে মনে তো হচ্ছে এতো ভালো ভাল না। সরি রাইদ বলবুঝলে না রাজ পরিবারের এ কথায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তো অবস্থা খারাপ। সাথে সাথেই ফোন করেছেন আমাদের হেডকোয়ার্টার বাসেলে। কেন? কেন? আমরা তো আছি এখানে? আরে বোঝ না কেন। কান্ট্রি অফিসের কাউকে উনি গুনেন না। ভাবেন সব ছারপোকা। চেয়ারম্যান নয়তো গ্লোবাল সি ই ও র নীচে কাউকে তাঁরা গোনে না। কাটল ফোঁড়ন গিউসি-‘নাহ, চেয়ারম্যান সাহেবকে পান নি। পেয়েছিলেন, ভ্যাক্সিন ডিভিশনের সি ই ওকে। ফোনে প্রথমে উনি ঠিকই বলেছিলেন, এভাবে হঠাৎ করে চাইলেই ভ্যাক্সিন পাওয়া যায় না। এও বলেছিলেন এও যে তিনি তার টিমকে বলবেন দেখতে সৌদি কান্ট্রিঅফিস থেকে কোন প্রজেকশন দেয়া হয়েছে কী না।’

মন্ত্রী বাহাদুর অতো কথা শুনতে রাজী নন। দিতে থাকলেন চাপ। তখনি, সি ই ও সাহেব, সম্ভবত ভেবেছেন পেয়েছি মক্কেল। দিলেন পাল্টা প্রস্তাব। দাম যদি ডাবল করতে রাজী থাকেন মন্ত্রী মহোদয়, তবে সিইওর বিশেষ বিবেচনায় রাজপরিবারের জন্য মেইড ইন সুইজারল্যান্ড সোয়াইন ভ্যাক্সিন সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা করতে পারেন!

এটুকু বলে রাইদ থামতেই মনে হল, কিছুদিন চেয়ারম্যানের প্রাইভেট সেক্রেটারি পদে কাজ করার সুবাদে এরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে যাওয়া এই উদ্ধত তরুণকে নিয়ে, বাসেলের বাতাসে ঘোরে নানান কথা। এখন তো পেলাম হাতে হাতে প্রমাণ। এটুকুই তো যথেষ্ট যে কোন কান্ট্রি অপারেশনের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার জন্য। ভাবতে ভাবতে জিজ্ঞেস করি

তারপর কী রাইদ? ‘কী আর হবে? স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় আমাদের কোম্পানির বিরুদ্ধে বাজিয়ে দিয়েছে সহস্র ঢেরা। বয়কট! ঠেকাও ঐ কোম্পানিকে। ফাইজলামি পাইছে নাকি? রাজপরিবারের সাথে ইয়ার্কি? মন্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল! ইত্যাদি ইত্যাদি।’ সৌদি কর্তৃপক্ষের এই প্রতিক্রিয়ায় অস্বাভাবিক কিছুই দেখছি না। এটাই তো হওয়ার কথা। বিষয় হচ্ছে, গত দুই বছর যাবত ফিল যে, প্রথমবারের মতো এই কান্ট্রি অফিস ও অপারেশনকে সরাসরি আমাদের গ্লোবাল কোম্পানির মালিকানায় নিয়ে যাবার কাজ করছিলেন, তার সবই যাবে এখন মাঠে মারা! ঐ একই লক্ষ্যে আমি এই বাংগাল যে গত ১০ মাস ধরে কাজ করে আসছি সে সবও যাবে গোল্লায়! “ওয়েল হোয়াট সুড উই ডু নাউ?” নতুন আরেকটি সিগারেট ধরাতে ধরাতে প্রশ্ন করলেন বসকিছুদিন চুপচাপ মানে “লো কি” তে থাকি আমরা। অপারেশনাল কাজেই ফোকাসড থাকি। এ বিষয়ে এই টিমের বাইরে কোন আলোচনা চলবে না। কোন আতঙ্ক ছড়ানো যাবে না। গুজব রটতেও দেয়া যাবে না রাজপরিবার, স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় বা সরকারি যে কোন দপ্তর থেকে আসা অনুরোধ চুপচাপ রক্ষা করতে হবে দ্রুত। সাথে হেড কোয়ার্টারকে জানিয়ে চাইতে হবে ড্যামেজ কন্ট্রোল বিষয়ে সহায়তা। তবে ঐ সি ইও সাহেবকে দোষারোপ না করেই করতে হবে ওসব।

বলতে চাইছিলাম, তার তো মামুর জোর বেশী তাই ঘাঁটানো যাবে না। কারণ মনে পড়েছে নিজের পুরানো এক ঘা’য়ের কথা। বছর দু’য়েক আগে এই লোক এশিয়ায় এসেছিল কোরিয়ার কান্ট্রি হেড হয়ে। সে সময় এক সন্ধ্যায় ব্যাংককের এক মিটিং এ যোগ দিতে গিয়ে হোটেলে লিফটে তার সাথে দেখা হয়েছিল। পরিচয় শেষে বালখিল্য তাচ্ছিল্যে, দিয়েছিল খোঁচা বাংলাদেশ বিষয়ে। নাহ বললাম না তা আর। গিলে ফেললাম– ‘আমাদের অতিরিক্ত সৌদি কান্ট্রিহেড, এইচ আর হেডকে মাঠে নামাতে হবে!’ গিউসির কথার আগা মাথা কিছু না বুঝতে নে পেরে বলি, মানে কী এর? শোন, এখানকার নিয়মে, যে কোন কোম্পানির এই দুটো পদ সৌদিদের জন্য সংরক্ষিত। অতএব কাগজে কলমে আমাদের কিন্তু একজন খাস সৌদি কান্ট্রি হেড ও এইচ আর হেড আছেন। মাসে মাসে তাঁরা শুধু বেতনই নিয়ে গেছেন। এখন তাদের একটু কাজে লাগানোর সুযোগ এসেছে। ওটাই বললাম। ‘এবসলিউটিলি! এগ্রিড উইথ বোথ অফ ইউ। দিস হেড কোয়ার্টার গাইস ডোন্ট নো, নাউ এ ডেস, ইটস মে বি ফাইন নট টু বি রোমান, ইন রোম। বাট ওয়ান নিড প্লে ইন সৌদি, ডেফিনেটলি ইন সৌদিওয়ে।’ এ বলে হতাশা কাটিয়ে উঠার চেষ্টায় হাসিমুখে চোখ টিপল ফিল।

লেখক : প্রাবন্ধিক, ভ্রমণসাহিত্যিক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচাই নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ
পরবর্তী নিবন্ধযেখানে স্থাপত্যশৈলীর সাথে প্রকৃতির কোনো বিরোধ নেই