ডিজিটাল মিডিয়ার যত্রতত্র চোখ ধাঁধানোর ফাঁকে সামপ্রতিক চট্টগ্রাম এর বহুল প্রচারিত দৈনিক আজাদীর পাতায় চলতে ফিরতে রোগ নিরাময় ব্যবহৃত লতাগুল্মের উপর নিয়মিত কলামিস্ট ছাইফুল হুদা ছিদ্দিকীর কথনে চোখ পড়তেই দেখি ব্যথা নিরাময়ের প্রসঙ্গ। মনে হল কিছু বিষয়ে অবতারণা স্মারক আকারে পাতা উল্টানো দরকার!
সবাই আমরা জানি,আর্থ্রাইটিসে ৬০ বছরের উর্ধে ৪৫–৬০%, ৮০ বছরের উর্ধে ৮০% কোন না কোনো ব্যথায়, বিশেষত আর্থ্রাইটিসে ভোগেন! ভাবনার বিষয় হল এমন অনেক পীড়ার সঠিক কারণ জানা না থাকায় ডাক্তারেরা এগুলোকে ওফরড়ঢ়ধঃযরপ ফরংড়ৎফবৎ বলে থাকেন! কারণ জানা না থাকলে নিরাময় কি সম্ভব?….
সভ্য পৃথিবী এখন নূতন করে ভেষজ চিকিৎসায় ঝুকছে! যুক্তরাষ্ট্রের ঋউঅ ইদানীং অনেক ভেষজ প্রোডাক্টের অনুমোদন দিচ্ছে, বিশেষত ফুড সাপ্লিমেন্ট আকারে যদিও, সেসবের অনেকটাই নিরাপদ রোগ নিরাময়ে গৃহীত হচ্ছে। একারণে দেশজ ভেষজ উপাদানগুলির আহরণ ও পরিশোধনে ব্যাপক গবেষণার সুপারিশ প্রণিধানযোগ্য। লেখকের আলোচিত ব্যথা নিরাময়ের বীরুৎ–গুল্মেও অগুনিত প্রজাতি প্রাকৃতিক ভাবে দেশে অনাদরে জন্মায়! (ওহফরমবহড়ঁং)..মূলত এসব থেকেই কাঙ্ক্ষিত উপাদান পৃথক করে ব্যাপক গবেষণার ভিত্তিতে যে ড্রাগ অনুমোদন ঘটে তারও নানান সীমাবদ্ধতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইদানীং চিকিৎসকের চেয়ে পীড়িত ব্যক্তি কম বুঝেন না! অন্তত: ইডিওপ্যাথিতে বিষয়টা প্রতিষ্ঠিত প্রায়।
আমাদের অজানা অনেক ভেষজের ব্যবহার আজও অরণ্যবাসী, আদিনিবাস জনগোষ্ঠী অহরহ ব্যবহার করছে, যেসব উদঘাটনের সামপ্রতিক বিদ্যাকে ঊঃযহড়নড়ঃধহু নামে অধ্যয়ন করা হয়।
বিষয়টার চাক্কুষ দৃষ্টান্ত সবারই নজরে! কতিপয় এখানে কয়েকটা নমূনা মাত্র: যেমন: আমরুল শাক, ধুতুরা পাতা আকন্দ..ইত্যাদি।
লেখক : সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ।
চট্টগ্রাম কলেজ।












