দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় সাপের উপদ্রব বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৃণমূল পর্যায়ে ২১ হাজার অ্যান্টিভেনম মজুদ রয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে অ্যান্টিভেনম মজুদ রয়েছে এক হাজার। মাঠপর্যায়ে কলেরার স্যালাইন রয়েছে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৯টি।
গতকাল সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মোট এগারোটি জেলা এখন বন্যা কবলিত। এগুলো হলো চট্টগ্রাম, কঙবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এর মধ্যে চট্টগ্রামে মোট ৯৫ জনকে সাপে কেটেছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর বিডিনিউজ ও বিবিসি বাংলার।
মন্ত্রী জানান, বন্যা কবলিত জেলাগুলোতে পর্যাপ্ত পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ১১ জেলার সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তিনি জানান, বন্যার কারণে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়লেও এখন পর্যন্ত সাপে কাটা কোনো রোগী মারা যায়নি। এলাকাগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে। বন্যার কারণে জঙ্গল থেকে সাপ আসে। নদী থেকে বিষাক্ত সাপ আসে। বৃহস্পতিবার থেকে সিভিল সার্জনদের প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে সাপে কাটা রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে আনা যায়। প্রথম রাতে পাঁচজনকে সাপে কেটেছিল। চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ে খাবার স্যালাইন রয়েছে ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার ২৯৯ প্যাকেট। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট রয়েছে ৩৬ লাখ ১৯ হাজার ৫৭২টি। সাধারণ স্যালাইন সিএমএমসিতে মজুদ রয়েছে ৯৯ হাজার ৯৯৫ ব্যাগ। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল টিম গঠন করে দুর্গত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মনোনীত ফোকাল পারসনরা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় রক্ষা করছেন।












