নগরের বাকলিয়া রসুলবাগ আবাসিক এলাকায় ফাটল সৃষ্টি হয়ে দেবে যাওয়া সড়কটির একটি অংশ রিটেইনিং ওয়ালসহ পাশের খালে ধসে পড়েছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। ধসে পড়া অংশটির দৈর্ঘ্য আনুমানিক ১০০ ফুট হতে পারে জানিয়েছেন চসিকের কর্মকর্র্তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে একবার সড়কটিতে ফাটল সৃষ্টি হয়। তখন সংস্কার করে দেয় চসিক। সর্বশেষ গত শুক্রবার রাতে সড়কটিতে আবার ফাটল সৃষ্টি হয়ে সামান্য দেবে যায়, যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। গত শনিবার বিকালে তা আরো বড় হয় এবং সড়ক আরো দেবে যায়। রাতে যা ধসে পড়ে খালে।
চসিকের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, খালের পাড়ে রয়েছে দেড় দশকের বেশি আগে ইট দিয়ে নির্মিত রিটেইনিং ওয়াল। মেগা প্রকল্পের আওতায় খাল খনন করে গভীর করা হয়। এক্ষেত্রে খালের পাড়ে থাকা রিটেইনিং ওয়ালের নিচ থেকে মাটি সরে যেতে পারে। এর প্রভাবে দেবে যেতে পারে সড়কটি।
চসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান আজাদীকে বলেন, সড়কের পাশে যে ওয়াল রয়েছে সেটা অনেক পুরনো। এটার নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় সড়ক দেবে যায়। জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সেনাবাহিনীর সাথে কথা হয়েছে। তারা কাজ করছে। ওখানে তারা শিট ফাইল করে দিচ্ছে। শিট ফাইল হয়ে গেলে রাস্তাটি আমরা করে দেব।
তিনি বলেন, গত বছর ফইল্যাতলী বাজারেও এমন ঘটনা ঘটে। আসলে মেগা প্রকল্পের আওতায় খাল পুনঃখনন করার সময় খালের তলা থেকে মাটি তোলা হয়। এ সময় ওয়ালের নিচ থেকেও মাটি সরে গিয়ে ওয়াল বসে যাচ্ছে। তাছাড়া খালের ধারণ ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় পানির ফ্লো বেড়ে গেছে। এতে ওয়ালের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে।
এদিকে ধসে পড়া সড়কটি চকবাজারের চাক্তাই ফুলতলা শুরু হয়ে বাকলিয়া সংযোগ সড়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। রিকশা, অটোরিকশা, প্রাইভেটকার চলাচল করে এ সড়ক দিয়ে। প্রায় রাতের বেলা ভারী গাড়িও চলাচল করে।
চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আজাদীকে বলেন, ফাটল সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে আমরা সড়কটি দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি।










