প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বহুল প্রতীক্ষিত কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অগ্রগতি তদারকির লক্ষ্যে আজ কঙবাজার আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সফল ও নির্বিঘ্ন করতে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতেই তাঁর এ সফর বলে জানা গেছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে সেজেছে কক্সবাজার। সফরকে ঘিরে দলীয় নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরকে ঘিরে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্য বিভাগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনপূর্ব চূড়ান্ত প্রস্তুতি পর্যালোচনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আজ বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সার্কিট হাউসে যাবেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত বিরতি ও প্রয়োজনীয় ব্রিফিং করবেন। পরে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে অন্তর্ভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ পরিদর্শনে বের হবেন। এর মধ্যে রয়েছে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, জুলাই–২৪ আন্দোলনের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর, নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা, নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং চকরিয়ায় জনসভার অনুষ্ঠানস্থল। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন সড়ক সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজও জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর থেকে কর্মসূচিস্থল পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী, কোস্টগার্ড, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী, ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঙবাজারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ সময় জেলার গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, জনসভা, সুধী সমাবেশ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচি রয়েছে।












