নগরীর রেয়াজুদ্দিন বাজার তামাকুমণ্ডি লেইনের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মিরাকল ট্রেডিং রাশিয়া থেকে ৩ হাজার ৪২০ কেজি কফি নিয়ে আসে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য খালাস না করায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এসব পণ্য নিলামে তোলার জন্য গত জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখায় প্রেরণ করে। পরবর্তীতে নিলামে তোলার জন্য গত ১৭ মে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী রাজস্ব কমকর্তা আশুরঞ্জন চক্রবর্তী, অসিত চক্রবর্তী ও আবদুর রাজ্জাক পণ্যের ইনভেন্ট্রি (গণনা) সম্পন্ন করেন। তবে ইনভেন্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার ২৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এসব কফি নিলামে তুলতে পারেনি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফলে কন্টেনারেই এসব কফি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, ইনভেন্ট্রির বিষয়টি পুনরায় যাচাই করে নিলামে তোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমস নিলাম ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এয়াকুব চৌধুরী দৈনিক আজাদীকে বলেন, ইনভেন্ট্রির পরেও নিলাম সম্পন্ন না হওয়ায় ৩ হাজার ৪২০ কেজি কফি কন্টেনারের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এসব কফির মেয়াদ আছে আর এক মাসেরও কম। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে এসব পণ্য ধ্বংস করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। ফলে সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। তাই আমাদের দাবি শুধুমাত্র কফি নয়, সব ধরণের অখালাসকৃত পণ্য মেয়াদের মধ্যে যাতে দ্রুত নিলাম করা হয়। জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান দৈনিক আজাদীকে বলেন, কফির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো। আমরা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও চট্টগ্রাম কাস্টমসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা ই–অকশনের পাশাপাশি প্রকাশ্য নিলামও করছি। চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড খালি করাটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।











