হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের চারটি আত্মঘাতী ড্রোন বা ওয়ান–ওয়ে অ্যাটাক ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
তাদের ভাষ্য, এসব ড্রোন আঞ্চলিক সামুদ্রিক যাতায়াতের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরবর্তী হামলা প্রতিরোধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী পরবর্তীতে গোরুক এবং কেশম দ্বীপে অবস্থিত ইরানের উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। খবর বিডিনিউজের। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরিবের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর জবাবে ইরান কুয়েতে অবস্থিত দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী উপসাগরীয় দুই দেশে ছোঁড়া ইরানের সাতটি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ছয়টি প্রতিহত করা হয়েছে এবং একটি লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। বিবিসি লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার পর এ ঘটনা ঘটল, যা দুই দেশের মধ্যকার নড়বড়ে যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য, গত বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বিমানবন্দর হামলায় তাদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে এ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।











