দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ

| রবিবার , ৭ জুন, ২০২৬ at ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে নয়াদিল্লির মানমন্দির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করছে ককরোচ জনতা পার্টিসিজেপি। গতকাল শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দিল্লি পৌঁছানোর পর পুলিশ এ কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেয়। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সারা মাত্রই এ তরুণকে ঘিরে ধরেন ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকের ১০১৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা।

গতকাল সকালে দীপকে আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভস্থলে আসার সময় সঙ্গে একটি করে বই এবং ভারতের জাতীয় পতাকা রাখার আহ্বান জানান। নিটইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সামপ্রতিক বিভিন্ন কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভ ডাকা হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।

যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে দিল্লি পুলিশ নয়াদিল্লিতে প্রায় ২ হাজার পুলিশ মোতায়েন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাসভবন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বাসভবনের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই বিক্ষোভ ঠেকাতে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার নির্দেশনা চেয়ে ‘জনস্বার্থে মামলা’ হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ওই মামলার শুনানি করতে শুক্রবার অস্বীকৃতি জানায় দিল্লি হাই কোর্ট।

ককরোচ জনতা পার্টি’র উত্থান ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন থেকে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি মামলার শুনানির সময় ভুয়া আইন ডিগ্রিধারী বেকার যুবকদের ককরোচ বা তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং পরবর্তীতে ব্যঙ্গাত্মক এই আন্দোলনের সূচনা ঘটে। ইন্টারনেটভিত্তিক এই প্রচারণাটি খুব দ্রুত একটি বিশাল অনলাইন কমিউনিটিতে রূপ নেয়। দলটির দাবি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের লক্ষ লক্ষ সমর্থক রয়েছে, যার মধ্যে কেবল ইনস্টাগ্রামেই অনুসারীর সংখ্যা দুই কোটি ২২ লাখের বেশি। ভারতের খ্যাতনামা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক, অভিনেতা প্রকাশ রাজের মতো ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে এ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধঈদের লম্বা ছুটি শেষে প্রাণ পাচ্ছে চবি ক্যাম্পাস
পরবর্তী নিবন্ধচোখের সামনে ইসরায়েলি সেনার ছোড়া গুলি বিঁধল ছেলের গায়ে