ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে পশ্চিম তীরে সাত মাসের এক ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার মা–বাবার আহত হওয়ার তথ্যও দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় বলেছে, শিশুটি তার মা–বাবার সঙ্গে একটি গাড়িতে ছিল। হেবরন শহরের কাছে তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে এক ইসরায়েলি সেনা গুলি চালায়।

ইসরায়েলি সেনারা দাবি করেছে, তারা সেই গাড়ি থামাতে বলেছিল। কিন্তু গাড়ি না–থামানোয় গুলি চালায় তারা। আর সেই গুলি লাগে গাড়িতে থাকা শিশুর শরীরে। গুলিতে আহত হয়েছেন শিশুটির বাবা প্রভাষক ফাহদ আবু হাইকারও। তিনি বেথলেহেম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গাড়ির পিছনের আসনে আমার স্ত্রীর কোলে ছিল পুত্র। সেনাবাহিনীর গুলি আমার হাত ছুঁয়ে গিয়ে বিঁধে যায় পুত্র স্যামের গায়ে।’ ওই গাড়িতে ছিল ওই দম্পতির আর এক সন্তানও। সেনার নির্দেশে গাড়ি না–থামানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রভাষক। তিনি জানান, নির্দেশমতো গাড়ি থামিয়েছিলেন। কিন্তু তার হাত ছিল স্টিয়ারিংয়ে। কিছু বলার সুযোগ না–দিয়েই গুলি চালানো হয়। আহত ওই ব্যক্তির দাবি, ‘তখন দিনের আলো ছিল। সেনারা দেখতে পাচ্ছিলেন গাড়ির মধ্যে কারা ছিলেন। পরিবার দেখেও গুলি চালিয়েছিলেন।’
ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে এ ধরনের হতাহতের ঘটনা আগেও ঘটেছে। গত মার্চে পশ্চিম তীরে এক ফিলিস্তিনি পরিবারের চার সদস্য ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হয়। এদের মধ্যে ৫ ও ৭ বছর বয়সী দুই শিশুও ছিল।












