জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, জ্বালানি তেলের সংকট নেই সরকার বারবার বললেও বাস্তবতা ভিন্ন। জ্বালানি তেলের অভাবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সেক্টরে বিরূপ প্রভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যক ও পরিবহন খাতে বিরূপ প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। জ্বালানি তেলের সংকট ও রপ্তানি কমে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে বেড়েছে কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপের ভাড়া। ছোট ও মাঝারি পিকআপে প্রতি ট্রিপে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়া বেড়েছে। তিনি জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করতে জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগরীর জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মপরিষদ বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মালিক ও চালকরা বলছেন, ডিজেলের দাম না বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শহরে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল কিনতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর – ঘণ্টা সময় ব্যয় করছেন মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। এই দীর্ঘ লাইনের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। এতে তাদের সময় ও শ্রম নষ্ট হচ্ছে। মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সাধারণ জনগণ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট, এবং জ্বালানি তেলের সংকটে জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। শিল্প–কারখানা থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও দৈনন্দিন জীবন্তসব ক্ষেত্রেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সরকারের উচিত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই সংকট নিরসনে উদ্যোগী হওয়া। জ্বালানি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অপচয় রোধ এবং বিকল্প জ্বালানি উৎস ব্যবহারে গুরুত্বারোপের মাধ্যমে জনগণের কষ্ট লাঘব করা সম্ভব।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মোহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. একেএম ফজলুল হক, ডা. সিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল হামেদ হাসান ইলাহী, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুর, আমির হোছাইন, মাহমুদুল আলম, মমতাজুর রহমান, ফখরে জাহান সিরাজী, ড. মাহবুবর রহমান, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, ফারুকে আজম, প্রফেসর মুহাম্মদ নুরুন্নবী, মোহাম্মদ ইসমাইল, ড.আ ম ম মাসরুর হোসাইন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












