চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি করা লেস দ্যান কন্টেনার লোড বা এলসিএল কন্টেনার বোঝাই কার্গোর জট সৃষ্টি হওয়ায় দ্রুত ডেলিভারি নিতে তৈরি পোশাক খাতের দুই শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র প্রতি আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এলসিএল কন্টেনার মানে যেই কন্টেনারে একাধিক আমদানিকারকের পণ্য বোঝাই থাকে। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র কাছে গত ২৮ মার্চ এ চিঠি পাঠায় বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দর কর্তৃপক্ষের সহ–টার্মিনাল ম্যানেজার রাজীব চৌধুরীর সই করা চিঠিতে বলা হয়, ১৪টি সিএফএস (কন্টেনার ফ্রেইট স্টেশন) বা শেড এলসিএল কার্গোতে পূর্ণ হয়ে গেছে। এর মধ্যে অধিকাংশ পণ্যই বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর আমদানি করা।
এলসিএল কার্গোর জট সৃষ্টি হওয়ায় বন্দরের কার্যক্রমে চাপ বাড়ছে জানিয়ে বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব সিএফএস বা শেড থেকে পণ্য ডেলিভারি না হওয়ায় নতুন করে আসা কন্টেনার খালাসে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে আনস্টাফিংয়ের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ৭৮০ টিইইউএস কন্টেনার থেকে এলসিএল কার্গো খালাস করে সংরক্ষণ করার মতো পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না।
এ অবস্থায় বন্দরের ভেতরে থাকা আমদানি করা পণ্য দ্রুত খালাসে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পণ্য ডেলিভারি গতিশীল করতে শুক্র, শনি ও রোববারসহ সরকারি ছুটির দিনেও ২৪ ঘণ্টা (২৪/৭) সিএফএস কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে, তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে জরুরি ভিত্তিতে এলসিএল কার্গো ডেলিভারি নেয় সেই নির্দেশনা প্রদানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। দ্রুত পণ্য খালাসের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং দেশের বাণিজ্যিক সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে সবার সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।













