সচেতন হতে হবে, আতঙ্ক নয় : ডা. মামুনুর রশীদ

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ৩১ মার্চ, ২০২৬ at ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ

সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে অবিস্থত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মামুনুর রশীদ বলেন, হাম নতুন কোনো রোগ নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময় আমাদের দেশে এই রোগে অনেকে আক্রান্ত হয়েছে। রোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগ শিশুর বয়স ৯ মাস তখন প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ হামের টিকা প্রদান করে আসছে। তবে কোনো কারণে যারা ডোজ মিস করেছে এবং একদমই টিকা দেয়নি তারা হামের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। সম্প্রতি আমাদের দেশের কয়েকটি জেলায় হামে আক্রান্ত শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। সেই ঢেউ চট্টগ্রামেও এসে পড়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে অনেক শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমাদের হাসপাতালে এখন পর্যন্ত কেউ ভর্তি হয়নি। তবে আমরা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। শিশুদের অভিভাবকদের মাথায় রাখতে হবেশিশুর যদি জ্বরের সাথে কফ, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং র‌্যাশ আসে তাহলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। কারণ এই রোগে নিউমোনিয়াও হতে পারে। বাসায় নিয়ে বসে থাকলে বিপদ হতে পারে। তাই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। হাম রোগ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। সাধারণত ৫ বছরের নিচে শিশুরা হামের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। দ্বিতীয় সারির ঝুঁকিতে থাকে ৫ থেকে ১৪ বছরের শিশুরা। আমাদের দেশে ২০ বছরের ছেলে মেয়েদেরও হাম রোগ শনাক্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে যাদের দীর্ঘ মেয়াদি রোগ আছে এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদেরও হাম হতে পারে। তবে একটাই কথা, যদি হামের লক্ষণ দেখা দেয় তবে আতঙ্কিত না হয়ে সরাসরি সরকারি হাসপাতালে যেতে হবে। কারণ সরকার সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধস্ক্র্যাপ জাহাজের তেলের ডিপো থেকে ২৫ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার
পরবর্তী নিবন্ধইউনিসেফ থেকে হামের টিকা সংগ্রহ করছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী