যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বড় অগ্রগতি

বস্ত্রে যতটুকু মার্কিন কাঁচামাল আমদানি, পোশাকের শুল্কে ততটুকু ছাড়ের আশা

| রবিবার , ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১২:৩১ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বর্তমানে ওয়াশিংটন সফররত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশের ওপর আরোপিত বিদ্যমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমানোর বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় তোলার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ এশিয়া ও এ অঞ্চলের অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী হতে পারে। খবর বাসসের।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রাধিকারকে সহায়তা করতে একটি নতুন ও উদ্ভাবনী সমাধানের বিষয়ে দুই দেশ আলোচনা করেছে। গতকাল ড. খলিলুর রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে আলোচনায় উঠে আসা প্রস্তাবিত এক বিশেষ অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে উৎপাদিত বস্ত্রের বিপরীতে সমপরিমাণ (স্কয়ার মিটার ভিত্তিতে পরিমাপযোগ্য) তৈরি পোশাক ও বস্ত্রপণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুযোগ পেতে পারে বাংলাদেশ।

বাণিজ্যে এই সৃজনশীল ও পারস্পরিক লাভজনক ব্যবস্থাটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে একদিকে যেমন বাংলাদেশের উৎপাদক ও শ্রমিকরা উপকৃত হবেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল উৎপাদকদের সঙ্গেও সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক আরও গভীর হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অগ্রগতি যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতি ও পারস্পরিক আস্থারই প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে একটি আশাব্যঞ্জক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাউজানে পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
পরবর্তী নিবন্ধরাউজানে মদিনা ইসলামী মিশনের শানে মোস্তফা (দ.) মাহফিল