বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে ঘিরে পুলিশি হামলা ও নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী মহানগর ও জেলা পর্যায়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। গতকাল বুধবার রাত ৮টায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর বাংলানিউজের।
বিএনপির এই ভার্চ্যুয়াল সভায় বুধবার দুপুরে দলটির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের বর্বরোচিত হামলা, হত্যা, গণ-গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়। এছাড়া বিনা উস্কানিতে ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের অহেতুক, অযাচিত ও কাপুরুষোচিত গুলিবর্ষণ, হামলা এবং পুলিশের গুলিতে পল্লবী থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মকবুল হোসেন হত্যার নিন্দা জানান নেতারা।
অন্যদিকে সমাবেশকে প্রতিহত করতে ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাড. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, দলের প্রচার সম্পাদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার, হয়রানি ও আহত করার প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেন।
সেই সঙ্গে গ্রেফতার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সবাইকে কাল মাঠে থাকার আহ্বান করেন তারা। ভার্চ্যুয়াল সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে লিখিতভাবে জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া সভায় অংশ নেন দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।












