২০২৭ সালের এসএসসি কবে? যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

| রবিবার , ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ at ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ

সেশনজট নিরসনে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা এগিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরে নেওয়া হতে পারে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একইভাবে ২০২৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষাও এগিয়ে আনার কথা বলেছেন তিনি।

গতকাল শনিবার সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষককর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত বছর জুনের শেষে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল এইচএসসি পরীক্ষা, রেজাল্ট হয়েছিল অক্টোবরের মাঝামাঝি। তাদের ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। ম্যাটার অব ফ্যাক্ট আজকে (শনিবার) ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্ডারে অনার্স এডমিশনের পরীক্ষাগুলো হচ্ছে। এই যে প্রত্যেকটা ছাত্রছাত্রীর শুধু এডমিশন টেস্ট, ভর্তি হওয়া নিয়ে এই এক বছরের মতো অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে এবং সেশনজট ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এটাকে আমরা স্কুইজ করে সমন্বয় করার জন্য আমরা চাইব যে প্রত্যেকটা সিলেবাস কারিকুলাম শেষ হওয়ার সাথে সাথেই যেন পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হয়। এবং তার পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্টগুলো হয়ে যায়। খবর বিডিনিউজের।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাচ্ছি না যে ওই একটি বিরাট গ্যাপ নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা তাদের লেখাপড়ার ব্যাঘাত ঘটুক। এটা আমরা সমন্বয় করার জন্য কাজ করছি পরিবর্তনের। ডিটেলস পরে জানানো হবে। এটা নিয়ে আমরা প্রতিদিনই কাজ করছি ডিটেলস।

পরিকল্পনা সম্পর্কে তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, টার্গেট করছিদুই বছরের লেখাপড়া দুই বছরে শেষ হতে হবে এবং এখানে কোনো সেশনজট যেন না হয়। সেভাবে আমরা সবকিছু অ্যাডজাস্ট করার চেষ্টা করছি, যেন কোনো ছাত্রছাত্রী জীবন থেকে সেশন জটের কারণে বা বোর্ড পরীক্ষা নিবেএই কারণে তাদের জীবন থেকে এক বছর, দুই বছর যেন ঝরে না পড়ে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে ডিসেম্বর ইজ অ্যান্ড অফ ইয়ার পরীক্ষার মাস। এর মধ্যেই আমাদের সিলেবাস শেষ করাএটা আমাদের টার্গেট রয়েছে এবং তার পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্ট চলে যায় অর্থাৎ কোনো গ্যাপ যেন না থাকে এবং তাদের যেন এই বিনা কারণে কোচিং সেন্টারে যাওয়া এগুলো যেন না হয় অর্থাৎ রেজাল্ট শেষ, পরীক্ষা শেষ, রেজাল্ট অ্যান্ড নেঙট অ্যাডমিশন। এই সমন্বয়টা ইউনিভার্সিটিগুলোর সাথেও আমাদের করতে হবে। আমরা সেই জায়গায় যাচ্ছি।

দুই বছরের পড়ালেখা দুই বছরে শেষ হতে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, এটা যেন কোনো অবস্থাতেই অন্য কারোর জন্য মানে ইউনিভার্সিটির সাথে আমাদের যেন মিসকমিউনিকেশনের জন্য ছাত্রছাত্রীদের অথবা বোর্ডের অবহেলার কারণে বা তাদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কোনো কারণে যেন আমাদের এই ছাত্রছাত্রীরা যেন ক্ষতি না হয় লেখাপড়ায় এবং সবসময় এই জিনিসটাকে টার্গেট করে আমরা কাজে এগচ্ছি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে এক জেলার শিক্ষক আরেক জেলায় নিয়োগ পাচ্ছে, তাদের সফটওয়্যার এমনভাবে ডেভেলপ করা হবে যাতে তাদের সুযোগ থাকবে নিজ জেলায় যাওয়ার। তারপরে হেডমাস্টার সাহেব যারা রয়েছেন, তাদেরও বদলি করা সম্ভব হবে। ধরুন একটি এলাকায় একটি স্কুল হেডমাস্টারের পজিশন খালি হয়েছে, তিনি ইচ্ছা করলে সেখানে যাওয়ার জন্য ট্রান্সফারের জন্য বলতে পারেন অথবা আমরাও বলতে পারি। কর্মচারীশিক্ষক সকলকেই একটা বদলির নীতিমালার ভেতরে আনা হচ্ছে। এজন্য একটা এনটিআরসিএ একটা সফটওয়্যার ডেভেলপ করছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকাপ্তাই সড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ কাজ শিগগিরই শুরু হবে
পরবর্তী নিবন্ধতাপমাত্রা বাড়ার গুজবের দিনে তাপমাত্রা কমা নিয়ে সুখবর