চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলসহ কর্ণফুলী নদীতে গতকাল ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এই সময় ১২টি জাহাজ পরিদর্শন করে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ১১টি নৌযানের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানকালে কয়েকটি নৌযানকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের স্পেশাল অফিসার মেরিন সেইফটি (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) রোকসানা খাইরুন নেছার নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে অভ্যন্তরীণ নৌ–চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ এর ৩৩, ৫৪ক, ৫৬ ও ৬৬ ধারায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরিদর্শক ওয়াহিদুর রহমান ও মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন। অভিযানকালে কোনো ট্যাঙ্কার বা লাইটার জাহাজে তেল মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঘাটসমূহে মালামাল আনলোডিং কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো ধরনের সমস্যা পরিলক্ষিত হয়নি। নৌপথে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও আইনানুগ চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।










