চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম বলেন, যুবলীগ সব সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভ্যানগার্ড হিসেবে ছিলো। ভবিষ্যতেও যুবলীগ ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে। এখন বিএনপি-জামায়াত যে পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, বিএনপি জামায়াতের সেই বিষ দাঁত ভেঙে দিতে যুবলীগই যথেষ্ট। গতকাল সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। বিকাল সাড়ে ৪টায় শুরু হওয়া রুদ্ধদ্বার এই সভা রাত ১১ টায় শেষ হয়েছে। এসময় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভা কমিটির প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনেন। যেসব উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌরসভা কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে- সেগুলো দ্রুত সময়ে সম্মেলন করে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম। মেয়াদোত্তীর্ণ উত্তর জেলা যুবলীগের সম্মেলনের ব্যাপারে বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব না আসায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। গতকালের বর্ধিত সভায় ৭১ সদস্যের কার্যকরী কমিটির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২৫-৩০ জন। জেলা কমিটির অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছেন, অনেকে মূল দলে চলে গেছেন, অনেকে সংগঠন ছেড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন বলে জানিয়েছেন উত্তর জেলা যুবলীগের শীর্ষ নেতারা।
প্রধান অতিথি শেখ ফজলে নাঈম আরো বলেন, আমরা বর্ধিত সভায় কি কারণে উপস্থিত হয়েছি তা আপনারা জানেন। বর্ধিত সভা মানে হচ্ছে দলের কি অবস্থা, সাংগঠনিক কি অবস্থা, নেতাদের কি অবস্থা তা জানা। তাদের মনের ক্ষোভ অথবা তাদের যা বলার আমাদের কাছে বলবেন। উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ প্রচার সম্পাদক আদিত্য নন্দী, যুবলীগের কার্যকরী সদস্য ড. বিমান চন্দ্র বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য মো. নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে এস এম আল মামুনকে সভাপতি ও এসএম রাশেদুল আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে উত্তর জেলা যুবলীগের কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়।
শো-ডাউন : উত্তর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবসহ আশপাশের এলাকা বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার নেতাকর্মীদের মিছিলে মিছিলে পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। উত্তর জেলা যুবলীগের বর্তমান সভাপতি এস এম আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদুল আলমসহ নতুন পদ প্রত্যাশীদের পোস্টার-ব্যানারসহ নেতাকর্মীরা ব্যাপক শো-ডাউন করেন।












