যৌন হয়রানি প্রতিরোধে প্রিমিয়ার ভার্সিটিতে সচেতনতা সেশন

| মঙ্গলবার , ২১ জুলাই, ২০২৬ at ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে ‘ইপসাশিখা’ প্রকল্পের আওতায় এবং প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কমপ্লেইন্ট কমিটির সহযোগিতায় গত ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের জন্য জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) প্রতিরোধে চতুর্থ সচেতনতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

ব্র্যাক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘ইপসাশিখা’ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, গণপরিবহন, কমিউনিটি এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, যৌন হয়রানি ও বুলিং প্রতিরোধে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি এবং ইপসার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইপসা বিশ্ববিদ্যালয়টিতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এসব কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তাকর্মচারীদের প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ। এমওইউ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে একটি ইনসেপশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ইপসা জানায় যে তারা কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপ্লেইন্ট কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী শিক্ষক, কর্মকর্তাকর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য ধারাবাহিকভাবে সচেতনতা সেশনের আয়োজন করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিক কার্যক্রমের সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ, সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগ এবং পাবলিক হেলথ বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কমপ্লেইন্ট কমিটির সদস্য ও সহযোগী অধ্যাপক গাজী শাহাদাৎ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সেশনটি পরিচালনা করেন ‘ইপসাশিখা’ প্রকল্পের ম্যানেজার তুষার কুমার রায়। তিনি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও লক্ষ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি, সচেতনতামূলক কার্যক্রমের বিস্তার এবং কার্যকর কাউন্সেলিং ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের সচেতনতা সেশন অংশগ্রহণকারীদের আচরণগত দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন, সমস্যার যথাযথ প্রতিক্রিয়া এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করে। একই সঙ্গে তিনি জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) প্রতিরোধে ছাত্রছাত্রীদের করণীয় ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম, এসোসিয়েট ফিল্ড অফিসার মিশকাত হোসাইন এবং ট্রেনিং ও ক্যাম্পেইন অফিসার মো. রাশেদ। কমপ্লেইন্ট কমিটির সদস্য ও সহযোগী অধ্যাপক গাজী শাহাদাৎ হোসেন তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সহযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশুধু ত্রাণ নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে
পরবর্তী নিবন্ধজরিনা-মফজল সিটি কর্পোরেশন ডিগ্রি কলেজে অভিভাবক সমাবেশ