নগরজীবনের প্রতিটি সকাল শুরু হয় জীবিকার সংগ্রাম দিয়ে। কেউ অফিসে, কেউ কারখানায়, কেউ দোকানে, আবার কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে ছুটে চলেন। সীমিত আয়ের এসব মানুষের কাছে লোকাল বাস ও লোকাল টেম্পু কেবল একটি যানবাহন নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনযুদ্ধের নির্ভরতার নাম। অথচ সেই নির্ভরতাকেই আজ পুঁজি করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মাধ্যমে। শহরের বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী লোকাল বাস ও টেম্পুতে আজ ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে যেন কোনো কার্যকর নিয়মের অস্তিত্বই নেই। নির্ধারিত ভাড়াকে উপেক্ষা করে অনেক পরিবহনে ইচ্ছামতো অর্থ আদায় করা হচ্ছে। প্রতিবাদ জানাতে গেলেই অনেককে শুনতে হয় অশোভন মন্তব্য, কখনো দুর্ব্যবহারও সহ্য করতে হয়। এই নৈরাজ্যের অন্যতম কারণ হলো অধিকাংশ লোকাল বাস ও টেম্পুতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করা হয় না। আর সেই সুযোগে একটি অসাধু চক্র প্রতিদিন সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ অতিরিক্ত ভাড়ার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে। গণপরিবহনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিটি গাড়িতে সরকার অনুমোদিত ভাড়া নির্ধারণ কার্ড বাধ্যতামূলকভাবে ঝুলিয়ে রাখা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।
রনি মুহুরী
শিক্ষার্থী,
সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম।










