ভাষাসৈনিক বদিউল আলম চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ভাষাসৈনিক বদিউল আলম চৌধুরীর ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী গতকাল উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক কাজী শাহাদাত হোসাইনের সভাপতিত্বে সিটি কর্পোরেশনের পাবলিক লাইব্রেরী কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।
স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিটি মেয়র ডা: শাহদাত হোসেন। তিনি বলেন, গুণীজনদের আমাদের বছরে একবার হলেও স্মরণ করতে হবে, গুণীজনদের স্মরণ রাখা আমাদের দায়িত্ব। বদিউল আলম চৌধুরী একজন উঁচু দরের মানুষ ছিলেন। ওনারা সংগ্রাম না করলে আমরা বাংলা ভাষায় কথায় বলতে পারতাম না। এমন সফল একজন মানুষ ছিলেন বদিউল আলম চৌধুরী। বদিউল আলম চৌধুরী সৎ, সাহসী ও অসাধারণ জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।
বিশেষ অতিথি আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ এমপি বলেন, বদিউল আলম চৌধুরী একজন গুণীজন ছিলেন। চট্টগ্রামের একজন বীর ছিলেন। শোকসভার আয়োজনকারীদের ধন্যবাদ জানাই। আবু সুফিয়ান এমপি বলেন, গুণীজনদের স্মৃতিচারণ মূলক অনুষ্ঠানে থাকতে পারা নিজেদের জন্য উপকার হয়। ভাষা সৈনিক বদিউল আলম চৌধুরী শুধু একজন ভাষা সৈনিক নন, তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী কর্মবীর ছিলেন।
ড. নাজনীন কাউসার বলেন, ৪৮ থেকে ৫২ ভাষা আন্দোলন, ৫২ থেকে ৫৪ যুক্তফ্রন্টের ভূমিধস জয়ে আমার বাবার অবদান অপরসীম। সাংবাদিক জাহেদুল করিম কচি বলেন, স্বাধীনতার পর বদিউল আলম চৌধুরীর সাথে আমার জননেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের মাধ্যমে পরিচয় হয়। সভাপতি বক্তব্য অধ্যাপক কাজী শাহাদাত হোসেন বলেন, বদিউল আলম চৌধুরী আমাদের মাঝে শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রেখেছে। স্মরণ সভা যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন মুহাম্মদ নিযামউদ্দিন ও প্রশান্তকুমার পান্ডে।
স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন রাজনীতিবিদ এম. এ. সবুর, হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, এস.কে. খোদা তোতন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. মঈনুদ্দিন, মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির সহ–সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নেছার আহমদ বুলু, কাট্টলী নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাবা তাহেরা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক অসীত কুমার দাশ, হযরত মঈনুদ্দীন শাহ, দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আলী নেওয়াজ, রাজনীতিবিদ একরামুল হক, কলিম উদ্দিন বি.এস.সি প্রমুখ। স্মরণ সভাশেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুজিব উদ্দিন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










