বাবা মানে আদর, স্নেহ, মায়া–মমতা ও ভালোবাসায় আগলে রাখার এক মহান ব্যক্তিত্ব। বাবা মানে হৃদস্পন্দন, আস্থা, নির্ভরতা ও ভালোবাসার শেষ আশ্রয়স্থল। বাবা মনে বন্ধু,পথ পদর্শক, যার হাত ধরে হাটা শেখা। বাবা হচ্ছেন একজন ছেলে–মেয়ের উন্নতির শিখড়ে পৌঁছানোর জন্য আর্থিকভাবে, মানসিকভাবে, প্রেষণামূলক, সাহস ও উৎসাহ পাওয়ার বিরাট শক্তি। বাবা এমন একজন মহান পুরুষ যিনি নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে পরিবার ও ছেলে–মেয়েদের সুখের কথা চিন্তা করে দিন–রাত পরিশ্রম করেন।
বাবা হারিয়েছি আজ প্রায় তেরটি বছর। সেই থেকে আর বাবা বলে ডাকা হলো না। মনের গহিনে জমে থাকা শত ব্যথা আর কাউকে বোঝানো যায় না। বাবা তার সারাটি জীবন পার করেছেন ছেলে–মেয়েদের তরে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে। আজ বাবাকে খাওয়াতে চাইলে বাবা নেই। সুন্দর জামা–কাপড় পরিধান করতে চাইলে বাবা নেই। বাড়িতে গেলে পুত বলে জড়িয়ে ধরার বাবা নামক সেই মানুষটি নেই। বাবা বলে ডাকবো সেই শব্দটাও বাদ পড়ে গেল। দিন–রাত বাবার কথা মনে পড়ে। ছোটবেলায় একটু অসুস্থ হলে বাবা তার কাঁধে করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেত, রাত–দিন দেখতো না। কোনো রকম মান–অভিমান হলে, বাবা জড়িয়ে ধরলে সব অশান্তি ও চিন্তা দূর হয়ে যেত। বাবার হাসি মাখা মুখ আর মায়া ভরা কথা শুনলে মনটা ভালো হয়ে যেত। ছোটবেলা থেকে কোলেপিঠে মানুষ করে তোলার নিরলস ও অবিশ্রান্ত ব্যক্তির নাম বাবা। ছেলেমেয়েদের যত আবদার সামর্থ্য অনুযায়ী পূরণ করার চেষ্টা করেন। বাবার সমতুল্য ধরণীতে আর কেউ নাই। বাবা এক অতুলনীয় সম্পদ, যার প্রত্যেকটি কথা সন্তানদের জন্য উপদেশ ও অমিয় বাণী। বাবারা সবসময় ছেলে–মেয়েদের উন্নতি ও মঙ্গল কামনা করেন।












