বলা হয়ে থাকে, শিক্ষকরা হলেন জাতি গড়ার কারিগর এবং শিক্ষকতা একটা মহান পেশা। মহান পেশা বলার কারণ হলো একমাত্র শিক্ষকরাই দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের হাতেই কেউ ডাক্তার, কেউ প্রকৌশলী, কেউ পাইলট, কেউ সচিব, কেউ মন্ত্রী বা অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়ে থাকে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় তাদের সামনে যখন একজন শিক্ষক অসম্মানিত হন কিংবা লাঞ্ছিত হন তখন তাদের কোন ভূমিকা থাকে না বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ। প্রকৃত দোষীরা শাস্তি পায় না বলে দিন দিন এসব ঘটনা বেড়েই চলেছে। এখন প্রতিনিয়ত শিক্ষকরা ভয়ের মধ্যে থাকে কখন আবার তাকে লাঞ্ছিত হতে হয়। এখন প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে বিভিন্ন স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক নেতা, এমনকি শিক্ষার্থীদের দ্বারা শিক্ষকদের লাঞ্চিত হবার দৃশ্য। অথচ আজকে যারা মন্ত্রণালয় থেকে শুরু সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে আসীন আছেন তারা চাইলে শিক্ষকদের হারানো সম্মানটুকু ফিরিয়ে দিতে পারেন প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দিয়ে। আসলে আমাদের দেশে যদি শিক্ষককে যথোপযুক্ত সম্মান দেওয়া না হয় তাহলে স্ব–শিক্ষিত জাতি কখনো গঠিত হবে না বলে মন্তব্য করছেন সুশীল সমাজ। শিক্ষকদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়টি সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করছেন শিক্ষা মনোবিজ্ঞানীরা। সকল শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। এত কিছুর পরও সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকরা কোন সুরাহা পায়নি ফলে প্রাথমিক শিক্ষার মান কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে না বলে ধারণা করছেন শিক্ষা মনোবিজ্ঞানীরা। তাই শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষকদের যথোপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা দেয়া উচিত।













