প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌ প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আজাদী প্রতিবেদন | রবিবার , ২৬ জুলাই, ২০২৬ at ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।

দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানান এবং কুশল বিনিময় করেন। নৌবাহিনীর প্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে ভবিষ্যতে দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সফল দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রগঠন ও উন্নয়নে নৌবাহিনীর ধারাবাহিক অবদানের প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি নৌবাহিনীকে আধুনিক, ত্রিমাত্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বাহিনীটি ভবিষ্যতে আরো আধুনিক ও সক্ষম বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নৌবাহিনী প্রধান এ সময় প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর নৌবাহিনী গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ডে নিজস্ব সক্ষমতায় দেশীয় প্রযুক্তিতে যুদ্ধজাহাজ ও অন্যান্য নৌযান নির্মাণ ও মেরামতের কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে। পাশাপাশি সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জনের পথ আরো সুদৃঢ় হচ্ছে।

নৌ প্রধান বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা আরো বাড়ানো এবং সকল স্তরের নৌসদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর নৌবাহিনী গড়ে তোলা হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধথানচি-তিন্দুমুখ নৌপথ ৩০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধহামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৬ মৃত্যু