পুলিশের বিশেষ অভিযানে অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী জয়নাল আবেদীন ওরফে সোহেল। সিএমপির পাঁচলাইশ থানা পুলিশের এসআই এম.এ সুফিয়ান কুতুবী এবং এসআই নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে গত রবিবার রাত ৯টার দিকে পাঁচলাইশ থানাধীন হাদুমাঝির পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। মামলাসূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন পাঁচলাইশ থানা বিএনপির তৎকালীণ সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ চৌধুরীর বাড়ীর উঠানে স্বেচ্ছাসেবক দলের মিটিং চলাকালে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের একটি গ্রুপ সেখানে হামলা চালায়। এতে নেতাকর্মীদের অনেকেই গুরুতর আহত হন।
উক্ত ঘটনায় ফরহাদ আজাদ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৪৯ জনের নাম উল্লেখ করে ৫০/৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলার অন্যতম আসামি জয়নাল আবেদীন ওরফে সোহেল।
পুলিশ জানায়, সমপ্রতি ব্যবসায়ী নূরুল কবিরের নিকট দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে গত ১ জুন রাতে নূরুল কবিরকে তুলে নিয়ে সোহেলের গ্যারেজে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এসময় তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে নগদ ১ লক্ষ ৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চাঁদা না পেলে পুনরায় অপহরণের হুমকি দেয়। উক্ত ঘটনার পরদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে সোহেল তার দলবল নিয়ে এসে নূরুল কবিরকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে নগদ ৩৫ হাজার টাকা ও একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেয়। এসময় তার স্ত্রীকেও ব্যাপক মারধর করে। উক্ত ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়। উভয় মামলায় সোহেলকে ৪নং আসামি করা হয়।
৩টি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সোহেলকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জানা যায়, জয়নাল আবেদীন সোহেল পাঁচলাইশ থানাধীন হাদুমাঝি পাড়ার নাছিরের পুত্র। পাঁচলাইশ থানা পুলিশ জানায়, জয়নাল আবেদীন সোহেলকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।












