শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ডাস্টবিন

ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় চকরিয়া পৌরশহর

ছোটন কান্তি নাথ, চকরিয়া | শনিবার , ১৫ আগস্ট, ২০২৬ at ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

চকরিয়া পৌরশহর এখন ময়লাআবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। পৌরশহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাথ ও রাস্তার ওপর যত্রতত্র ময়লাআবর্জনার স্তূপ ও স্থায়ী ভাগাড়ে রূপান্তর ছাড়াও বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘেঁষে ও প্রবেশমূখে স্থায়ীভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ডাস্টবিন।

সরজমিন দেখা গেছেএই অবস্থায় এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন দুর্গন্ধময় পরিবেশে পাঠ নিতে হচ্ছে। এতে এসব শিক্ষার্থী নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। একইসাথে চকরিয়া পৌরশহরের ব্যবসায়ী, ক্রেতাসাধারণ ও সাধারণ পথচারীকেও যত্রতত্র ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা ময়লাআবর্জনার দুর্গন্ধের কারণে নাকমুখ চেপে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিষ্ঠার এক যুগ পর চকরিয়া পৌরসভা প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয়েছে। আর প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার প্রধান কাজ হচ্ছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে পৌর এলাকাকে স্বাস্থ্যকর শহরে পরিণত করা। কিন্তু চট্টগ্রামকঙবাজার মহাসড়কের দুই পাশ এবং অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর অবস্থা একেবারেই শোচনীয়।

সরেজমিন চকরিয়া পৌরশহর চিরিঙ্গা বাণিজ্যিক কেন্দ্রের বেশ কয়েকটি সড়ক যথাক্রমে সরকারি বালিকা বিদ্যালয় সড়ক, সরকারি হাইস্কুল সড়ক, ওয়াপদা সড়ক, বিমানবন্দর সড়কসহ অসংখ্য অভ্যন্তরীণ সড়ক ময়লাআবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সচেতন লোকজন পৌর কর্তৃপক্ষ বা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেনএই ত্রাহি অবস’া থেকে প্রতিকারের উপায় হিসেবে শহরের বাইরে স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এছাড়া প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি ও দোকান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে শহরের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে।

বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখে দুইপাশে দুটি ডাস্টবিন (একটি স্থায়ী) স্থাপন করা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পান্না বড়ুয়া।

এই বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চকরিয়া পৌরসভার প্রশাসক শাহীন দেলোয়ার দৈনিক আজাদীকে বলেন, চকরিয়া পৌরশহরের ময়লাআবর্জনার সমস্যাটি পুরোনো। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখতে পেয়েছি প্রধান সমস্যা জনবলের। এজন্য অস্থায়ীভাবে বেশকিছু শ্রমিককে নিয়োজিত করা হয়েছে পৌরশহরের ময়লাআবর্জনা যাতে প্রতিদিনই সাফ করা হয়। একইসাথে মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় এই সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করা হয়েছে। নিশ্চিত করে বলতে পারি চকরিয়া পৌরসভার বাসিন্দারা এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে ১০০ ভাগের পথে সরকার : রিজভী
পরবর্তী নিবন্ধফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট