পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, প্রয়োজন বনায়ন

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আইআইইউসি উপাচার্য

| রবিবার , ৭ জুন, ২০২৬ at ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

আইআইইউসির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেছেন, বৃক্ষরোপণ ও বনায়ন এক বিষয় নয়। বর্তমানে আমরা বৃক্ষরোপণ করছি, কিন্তু প্রকৃত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজন বনায়ন। বনায়নের মাধ্যমে বন্য প্রাণীর আবাসস্থল সৃষ্টি হয় এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত থাকে।

তিনি গতকাল শনিবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়। পরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপউপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হাসমত আলী, বিউটিফিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ আমিরুজ্জামান, রেজিস্ট্রার কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ কাশেম, অ্যাডিশনাল রেজিস্ট্রার মো. সোলাইমান মিয়া, প্রক্টর মোস্তফা মুনির চৌধুরী ও বিউটিফিকেশন বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আহমদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষককর্মকর্তারা।

প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী আরো বলেন, বর্তমানে বিশ্বে পরিবেশ ও জলবায়ু সংকটের অন্যতম কারণ হলো বনভূমি ধ্বংস। দেশের পাহাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিত বনায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি ফলদ, বনজ ও বন্য প্রাণীর খাদ্যোপযোগী গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বন্য প্রাণীর জন্য অনুকূল আবাস গড়ে উঠবে। তাই পরিবেশ ও প্রকৃতিকে ভালোবাসতে হবে এবং সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেশি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণের আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, এ বছর ক্যাম্পাসে প্রায় ২ হাজার গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের পাশাপাশি উড়িআম, ডেওয়া ও চিকরাশির মতো কিছু দুর্লভ প্রজাতির গাছও রয়েছে। ওষুধি গাছের মধ্যে অর্জুন, নিম, বহেড়া, হরিতকি ও বাসক এবং ফলজ গাছের মধ্যে আম, লিচু, জলপাই ও কাঁঠাল রোপণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনার আলোকে আগামী ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসামুদ্রিক জনশক্তির দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়নে গুরুত্ব
পরবর্তী নিবন্ধচবিতে ৪২ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ২ দিনব্যাপী মুট কোর্ট কম্পিটিশন