উপমহাদেশের প্রখ্যাত কম্পোজার সলিল চৌধুরীর গানে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হল ঐতিহ্যবাহী সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সঙ্গীত ভবনের ছয় দিনব্যাপী হীরক জয়ন্তী উৎসব। উৎসবে বাংলাগানের বৈচিত্রময় নানান ধারার উপস্থাপনে মুখর ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন। শনিবার হীরক জয়ন্তী উৎসবের শেষ দিন রাগ ‘ইমন, মিশ্র পাহাড়ী আর পুরিয়া ধানেশ্রীর আলাপ–বিস্তার আর তানে অন্য রকম আবেশ ছড়িয়ে পড়ে মিলনায়তন জুড়ে। রাগ ইমন পরিবেশন করেন জয়িতা চৌধুরী ও হৃদিতা চৌধুরী। মিশ্র পাহাড়ী রাগ পরিবেশন করেন শ্রেয়া দাস। রাগ পুরিয়া ধানেশ্রী ও একটি ভজন পরিবেশন করে শোনান সুহাইরা শাওলি ফালাক। বক্তব্য রাখেন বংশীবাদক ওস্তাদ ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম, গজল শিল্পী শাহজাহান খান ও তবলা ওস্তাদ সুদীপ সেনগুপ্ত ও শীলা মোমেন। সুফি গান পরিবেশন করেন অয়ন্না চক্রবর্তী। মোহন বীনা ও বাঁশির সুরে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন ওস্তাদ দোলন কানুনগো এবং রাসেল দত্ত। তাঁদের সাথে তবলায় সংগত করেন তিষান ঘোষ। উৎসবে সমাপ্তী বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। উপমহাদেশের বিখ্যাত কম্পোজার সলিল চৌধুরীর জন্মশতবার্ষিকীতে তাঁর লেখা–সুরে ‘পুরানো দিন, পুরানো মন’ এবং ‘ধিতাং ধিতাং বোলে’ গানের সমবেত উপস্থাপনে শেষ হয় ছয় দিনের উৎসব। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় আবৃত্তি, বৃন্দ–নৃত্য ও যন্ত্র সঙ্গীতের আয়োজনও। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানের স্মারক।










