ঢাকায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের বার্তা নিয়ে দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। গতকাল মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠকের তথ্য দিয়েছে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠকের কয়েকটি ছবিও পাঠিয়েছে হাই কমিশন। গত সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিকালে দিল্লির পথ ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি বলেছিলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয় থাকলেও ঐতিহাসিক বাস্তবতা ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সেসবের সমাধান দরকার। খবর বিডিনিউজের।
চব্বিশের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা ঘোচানোর জন্য পোড় খাওয়া রাজনীতিক দীনেশ ত্রিবেদীকে রাষ্ট্রদূত করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জুলাই মাসে দিল্লিতে বিমসটেক জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামছুল ইসলাম। সম্পর্ক স্বাভাবিক করার অংশ হিসাবে ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসাও চালু করেছে ভারত।
দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ৫ আগস্ট নয়া দিল্লিতে এক সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়ায় ঢাকা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়।
তারপর সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। আগের দিন রোববার তিনি বলেছিলেন, ভারত ও বাংলাদেশের দুই প্রধানমন্ত্রী কথা বললে দুদেশের মধ্যে থাকা সব সমস্যার সমাধান হতে পারে।
দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাতের বিষয়ে হাই কমিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, জনগণ–কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গঠনমূলক উপায়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বহুমুখী ও টেকসই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দিকনির্দেশনা চেয়েছেন হাই কমিশনার।











