বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদেও ব্যবস্থাপনায় পবিত্র মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথমদিন গতকাল শনিবার বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসার ৪৪তম বার্ষিক সভা, পুরস্কার বিতরণ ও বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানের সভাপতি রাহবারে বায়তুশ শরফ আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী বলেন, আল্লাহতাআলা হযরত মুহাম্মদ (সা.)কে সৃষ্টির পরিকল্পনা বিশ্বসৃষ্টির পূর্বেই নিয়েছেন। আদম (আ.)কে পৃথিবীতে প্রেরণের মাধ্যমে যে দাওয়াতে দ্বীনের সূচনা হয়েছিল তার পূর্ণতা পেয়েছে রাসূল (সা.) এর আগমনের মাধ্যমে। তিনি জগতসমূহের জন্য রহমত, বরকত ও নিয়ামতস্বরূপ। তিনি অধঃপতনের চরম সীমায় নিমজ্জিত আরব সমাজকে দ্বীনি হেদায়াতের মাধ্যমে আলোকিত করে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে রূপান্তর করেছেন। ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে বিশ্ব ইতিহাসে অনুসরণীয় নজির স্থাপন করেছেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন, অধ্যক্ষ আবু সালেহ মুহাম্মদ ছলীমুল্লাহ। অতিথি ছিলেন বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদেও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ। প্রধান আলোচক ড. মাওলানা সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আবু নোমান বলেন, রাসূল সা. এর কালজয়ী আদর্শ বিশ্বের জন্য চূড়ান্ত মডেল, বিশ্বশান্তির জন্য এর কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা আবু হানিফা মুহাম্মদ নোমান। যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন –অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান ও মাওলানা রিয়াজুর রহমান। মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়িম ও জিএস এস এম ফরহাদ। মাহফিলে মাদরাসার কয়েকজন সাবেক শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পরিবেশিত হয় অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ ও সমাজের নানা অসঙ্গতি দূরীকরণ বিষয়ক নাটিকা ‘মুফতি সাহেবের বৈঠকখানা’। আজ রবিবার দ্বিতীয় দিবসে সকাল ৯ টায় অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন ইভেন্টে তামাদ্দুনিক (সাংস্কৃতিক) প্রতিযোগিতা ও বাদে মাগরিব শিশু–কিশোরদের পরিবেশনায় পাখপাখালির আসর। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











