গত এক সপ্তাহের ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি–২–এর (রাউজান) আওতাধীন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সঞ্চালন লাইনের ওপর গাছ ও ডালপালা উপড়ে পড়ে চার উপজেলায় ১০৫টি ট্রান্সফরমার নষ্ট এবং ৬৮টি খুঁটি ভেঙে গেছে। এতে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির শত শত গ্রাহক দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিলেন।
সমিতির সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগে ৯২৯টি স্থানে তার ছিঁড়ে গেছে এবং গ্রাহকদের ১ হাজার ৫৫টি মিটার ভেঙেছে। এছাড়া সরবরাহ লাইনের নানা যন্ত্রপাতিসহ মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৬০ লাখ টাকা ছাড়িয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাঙ্গুনিয়া, এরপর যথাক্রমে ফটিকছড়ি ও রাউজান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সঞ্চালন লাইনের ওপর এখনো বড় বড় গাছের ডালপালা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অনেক স্থানে খুঁটি ও ট্রান্সফরমার লতাপাতায় ঢেকে থাকায় প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, নোয়াপাড়া জোনাল অফিসের কাছে ১১ হাজার কেভি সঞ্চালন লাইনের ওপর বড় গাছের ডালপালা ঝুলে আছে এবং কয়েকটি খুঁটি হেলে পড়েছে। কাপ্তাই সড়ক সংলগ্ন ব্যস্ততম নোয়াপাড়া পথের হাটে ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটির নিচেই ঝুপড়ি দোকানে ব্যবসা চলছে।
এ বিষয়ে নোয়াপাড়া জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক আবু সায়েম বলেন, লাইনের পাশের ডালপালা আমরা নিয়মিত কাটি, তবে বড় গাছ হলে তা সম্ভব হয় না। পথের হাটের লাইনে কভার থাকায় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা নেই।
সমিতির সদর দপ্তরের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবুহেনা শফিক কামাল জানান, দুর্যোগে সমিতির আনুমানিক ৬০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।














