চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, নাগরিক সচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের সমন্বিত কার্যক্রমও জরুরি।
গতকাল মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাসব্যাপী নালা–নর্দমা পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালিত ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচির আওতায় মেয়র ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডের কাজির হাট বাজার থেকে চর রাঙ্গামাটিয়া স্কুল পর্যন্ত, ৬ নং ওয়ার্ডের খাজা রোডের পাক্কা দোকান থেকে বাইতুল মোকাররম জামে মসজিদ পর্যন্ত, ২৮ নং ওয়ার্ডের চৌমুহনী থেকে কদমতলী পর্যন্ত এবং ২৩ নং ওয়ার্ডের পাঠানটুলী খান বাড়ি থেকে চট্টেশ্বরী মসজিদ সংলগ্ন পাঠানটুলী রোড পর্যন্ত চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাইকে সচেতন হতে হবে। যত্রতত্র ময়লা ফেলা যাবে না। নগরবাসীকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এই শহর শুধু মেয়রের একার নয়, এই শহর সকলের। তিনি আরও বলেন, নালা–খাল ও ড্রেনে ময়লা ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয় এবং সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। তাই নগরবাসীকে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম–৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির অনেকাংশে উন্নতি হয়েছে। চলতি বছর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমে এসেছে। বর্তমান মেয়রের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত তদারকি ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে নগরবাসী এর সুফল পাচ্ছে। তিনি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













