নগরীর পাহাড়তলী সাব–রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের সাব–রেজিস্ট্রার ও তার দুই সহযোগীকে ঘুষের দুই লাখ টাকাসহ হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বিকেলে নগরীর কোর্টহিলে অবস্থিত পাহাড়তলী সাব–রেজিস্ট্রি অফিসে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর একটি টিম এ অভিযান চালায়। আটকৃকত তিনজন হলেন পাহাড়তলী সাব–রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের সাব–রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপন দাশ।
দুদক জানায়, এক আইনজীবী তার মক্কেলের দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য পাহাড়তলী সাব–রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও উক্ত নিবন্ধন আটকে রাখা হয়। এর কারণ জানতে চাইলে সাব–রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান ও হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম দলিল দুটি নিবন্ধনের বিনিময়ে তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। বিষয়টি ওই আইনজীবী দুদকের হটলাইন নম্বর ১০৬ এ ফোন করে জানান এবং দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগও করেন।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ জানায়, ভোক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদকের পক্ষ থেকে পাহাড়তলী সাব–রেজিস্ট্রি অফিসে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের শুরুতে ভোক্তভোগী আইনজীবী ঘুষের টাকা দিতে সাব–রেজিস্টারের রুমে যান। এ সময় আগে থেকে ফাঁদ টিমে যুক্ত দুদক কর্মকর্তারা সেখানে প্রবেশ করেন এবং ঘুষের ২ লাখ টাকাসহ তিনজনকে আটক করা হয়। অভিযানে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–২ এর উপপরিচালক আল আমিন নেতৃত্ব দেন।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর উপপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আজাদীকে বলেন, পাহাড়তলী সাব–রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে একটি ফাঁদ মামলা পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ঘুষের ২ লাখ টাকাসহ হাতেনাতে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।












