টেকনাফে এক তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার বিকেল ৫টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোর্শেদা ও রেহেনা নামে আপন দুই বোনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাহারছড়ার উত্তর শীলখালী এলাকার দুবাই প্রবাসী নুরুল হকের সঙ্গে অন্য এক গ্রামের এক তরুণীর পরকীয়া প্রেমের সন্দেহ করে নূরুল হকের স্ত্রী মোর্শেদা আকতার। সন্দেহের জেরে বুধবার বিকেলে কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে ওই তরুণীকে জিম্মি করে টেকনাফে মোর্শেদার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উঠানে খুঁটির সঙ্গে হাত–পা বেঁধে প্রকাশ্যে পেটানো হয় তরুণীকে। এক পর্যায়ে পরনের জামা খুলে নেয়া হয় ওই তরুণীর। মোর্শেদার সঙ্গে তার ভাই ও প্রতিবেশীসহ অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন অংশ নেয়।
নির্যাতনের এক পর্যায়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ কল দিলে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করে। পরে টেকনাফ থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন– মোহাম্মদ আইয়ুব, তার ভাই মোহাম্মদ ইসমাইল ও মো. ইউনুচ, বোন কুলসুমা আকতার, মোর্শেদা আকতার, রেহেনা আকতার, ইয়াছমিন আকতার জুলি ও নাসিমা আকতার এবং স্থানীয় রহমত উল্লাহ ও মো. আলম। ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করেন বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ–পরিদর্শক তাজুল ইসলাম।
তিনি জানান, ৯৯৯–এ কল পেয়ে তিনি ওই তরুণীকে উদ্ধার করেন। তাকে বিবস্ত্র করে পেটানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে মোর্শেদা আকতার ও তার বোন রেহেনা আকতারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।











