পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন কুমিল্লার ১৭ বছরের তরুণী সীমা আক্তার। গতকাল মঙ্গলবার সকালে স্বজনদের সঙ্গে টমটমে করে সুগন্ধা পয়েন্টের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে হঠাৎ তার ওড়না টমটমের পেছনের চাকায় পেঁচিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সমুদ্র দেখতে বের হয়ে এভাবেই প্রাণ হারান তরুণী সীমা।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট–সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সীমা আক্তার কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বড় আলমপুর এলাকার মাহাবুব আলমের মেয়ে। ওই এলাকার একটি মাদ্রাসায় আলিম দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন তিনি। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন সীমা।
সৈকতে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মী মাহবুব আলম বলেন, স্বজনদের সঙ্গে টমটমে করে যাওয়ার সময় সীমা আক্তারের ওড়না পেছনের একটি চাকায় পেঁচিয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তরুণীর পরিবারের এক সদস্য জানান, সোমবার সকাল ছয়টার দিকে দেবীদ্বারের বড় আলমপুর থেকে ১৭ জনের একটি দল কক্সবাজারে বেড়াতে আসে। গতকাল সকালে সবাই একসঙ্গে সুগন্ধা সৈকতে ঘুরতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।












