আর না। মোটেই না। অনেক যন্ত্রণা সহ্য করেছি। সহ্য করেছি পীড়ন নিপীড়ন। নিগ্রহ নির্যাতন। নির্মমতা নিষ্ঠুরতা। বর্বরতা। অমানবিক আচরণ। ধর্ষণের পরেও মুখ খুলতে পারিনি। পাষবিকতার চিহ্ন বয়ে বেরিয়েছি। অন্তরে জ্বলেছে ছাই চাপা আগুন। মুখে আটকিয়েছি কুলুপ। পারিনি কান্না করতে। চোখের জলে ভেসেছি। মনে হয়েছে জন্ম যেন পাপ। দোষ শুধু নারী জাতির। হায়রে সমাজ। হায়রে মানবতা নৈতিকতা স্বাধীনতা। ধর্মীয় মূল্যবোধ অবক্ষয়। এরা যেন মৃত্যুর হিম শীতল অনুভূতির মুখোমুখি হবে না। হবে না যেন এদের মরণ।
অনেক হয়েছে। অনেক! এবং অনেক! আর কত দেহ আর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ।
এবার তবে হোক প্রতিবাদের বদলে প্রতিরোধ। দ্রোহ আর বিদ্রোহ। আঘাতের বদলে আঘাত। প্রতিঘাত। জখমের বদলা জখম। একটা ধর্ষণ ঘটনার পরে দেশে যেভাবে তোলপাড় শুরু করে দেন। কয়দিন পরে আরেকটা ঘটনা ঘটার পরে আগের ঘটনা বেমালুম ভুলে যান। আন্দোলন সংগ্রাম মিছিল মিটিং মানব বন্ধন শেষ হয়ে যায়। সবাই ভুলে যায় সমাজে যেন কোনো অন্যায় হয়নি। ভুলে গেলে চলবে না, বিচার সুনিশ্চিত হচ্ছে না বলেই আরেকটি ঘটনার জন্ম হচ্ছে।
ধৈর্যের সহ্যের মহানুভবতার মানবতার বাঁধ ভেঙে গেলে ‘যেমন কুকুর তেমন মুগুর’ হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। বাড়াও তবে হাত।
কব্জি নেবো কেটে। হাত ধরিয়ে দেব হাতে।
চোখ বুজে সহ্য করার দিন শেষ।
আগুনের হল্কা আছে নিঃশ্ব্বাসে!
যেখানেই ধর্ষণ খুন সেখানেই হোক প্রতিবাদ। সঠিক নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক। আর কত আছিয়া রামিসাদের রক্তান্ত দেহ দেখতে হবে আমাদের। আর না। মোটেই না।












