দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাতের নামে ঢাকার ধানমন্ডি ও আদাবরে থাকা দুটি ফ্ল্যাটসহ মোট ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত। জব্দ সম্পত্তির মধ্যে উত্তরার একটি প্লট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা আড়াই লাখ টাকা এবং ২৯ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়িও রয়েছে। এছাড়াও ১৬ ব্যাংকের হিসাবে থাকা আবুল বারাকাতের তিন কোটি ৬০ লাখ ৩ হাজার ৪৫৫ টাকা অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। খবর বিডিনিউজের।
এর আগে দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ স্থাবর সম্পদ জব্দ ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ড. আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবৈধভাবে ঋণ দিয়ে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে তার নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং তিন কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য মতে জানা যায়, আবুল বারকাত স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ বিক্রি, স্থানান্তর করার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ নিষ্পত্তির আগে অর্জিত অবৈধ সম্পত্তি হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর/বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের ক্ষতির কারণ রয়েছে। একারণে এসব স্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।












