আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং উর্ধ্বতন আইনজীবী আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। যুদ্ধাপরাধ তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতটি ভেঙে দেওয়ার চেষ্টায় এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বসামপ্রতিক পদক্ষেপ। খবর বিডিনিউজের।
বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশ আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন এই আদালতের সদস্য। রুবিও বুধবার ওই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন। তার দাবি, জাপানের নাগরিক আকানে এবং সেনেগালের নাগরিক আবদুলায়ে সেয়ে এখতিয়ার বহির্ভূত ভাবে কয়েক জন উচ্চপদস্থ মার্কিন সরকারি কর্মর্তাকে বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি) একটি দুর্নীতিগ্রস্ত এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট আদালত। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ওপর এই আদালতের আক্রমণ আমরা বরদাশত করব না।
রুবিওর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরই আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তাদের কর্মীদের পাশে রয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রুবিওর ঘোষিত পদক্ষেপ আইনের শাসনকে দুর্বল করবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউজ এখনও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।












