সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে পরাজিত হয়ে এশিয়ান গেমসে ফাইনালে খেলার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বাংলাদেশের। অথচ এবারের গেমসে আসার আগে ক্রিকেট নিয়ে বরাবরের মতই প্রত্যাশার মাত্রাটা ছিল একটু বেশি। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস পরাজয়ের কারণ হিসেবে টস, উইকেট, মিডল ওভারে বোলারদের খরুচে বোলিংকে দায়ী করেছেন। মোস্তাফিজের ২ ওভারে ৪১ রান এসেছে, সে প্রসঙ্গে লিটন বলেন, ‘ও আমাদের টিমের বেস্ট বোলার অনেক বছর ধরে। ক্রিকেটে আপনি কখনো একই ওয়েতে যেতে পারবেন না, আপস অ্যান্ড ডাউনস থাকবে। আমার কাছে মনে হয় তার জন্য আজকের দিনটা খুব একটা সুইটেবল ছিল না।’ তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মনে হয় যে আমরা মিডল ওভারে বোলিংটা যদি আরেকটু ভালো করতে পারতাম, যদি ওই ওভার বাউন্ডারিগুলো কম খেতাম তাহলে চান্স বেশি থাকত। উইকেট নিয়ে আক্ষেপের কথা বলতে গিয়ে লিটন বলেন, আপনি যদি দেখেন যে আমরা অনেক দিন ধরে রুমে বসা, আমরা টসে হেরে গেছি। তো আমাদের হাতে তো কোনো অপশন ছিল না, উইকেটটাও একটু কঠিন ছিল। যদি ভালো খেলতে পারতাম ভালো হতো, এটা খুব সহজ না যে আপনি এতদিন বসে থাকবেন এবং মাঠে নেমে খুব এক্সট্রাঅর্ডিনারি ইনিংস খেলবেন। কিন্তু তারপরও হৃদয়কে ধন্যবাদ। ও আমাদের টিমকে কামব্যাক করিয়েছে ওই জায়গা থেকে। মোসাদ্দেক এবং হৃদয়ের পার্টনারশিপটা খুবই ভালো ছিল। উইকেটের আচরণটা পরের দিকে গিয়ে একটু পরিবর্তন হয়েছে। যা পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলেছে। লিটনও সেটা স্বীকার করেছেন, ‘স্বাভাবিক, অনেক দিন ঢেকে রাখার পর যখন উইকেটটা খেলা হবে ২০টা ওভার আপনি একটা আইডিয়া পাবেন।
আমাদের হাতে তো কোনো আইডিয়া ছিল না। কারণ আমরা গত কয়দিন ধরে কোনো গেমও দেখিনি এবং উইকেটে প্র্যাকটিস করার সুযোগও ছিল না। সে কারণে আইডিয়া ছাড়া আমরা ক্রিকেট খেলেছি ফার্স্ট কয়েকটা ওভারে। এরপর আস্তে আস্তে ব্যাটসম্যানরা আইডিয়া পেয়েছে। লিটন বলেন, এবারের বিষয়টা সত্যি হতাশার। আমাদের অবশ্যই গোল্ড পেতে হবে। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি, তবে এবারও হয়নি। আবার ভবিষ্যতে কোনো না কোনো টিম আসবে, তারা চেষ্টা করবে।













