পটিয়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ তানিয়া কামাল নিহাত (১৯) হত্যা মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তার স্বামী মামলার ১ নম্বর আসামি নুরু উদ্দিন (২৩)। পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা তিনি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নুরু উদ্দিন ও তার বোন জোৎস্না আক্তারকে (২৮) আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নুরু উদ্দিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পটিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা।
জানা যায়, গত রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই গ্রামের মোনাফ হাজীর পাড়ায় স্বামী নুরু উদ্দিনের বসতঘরের তানিয়া কামাল নিহাতকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে অসুস্থতার কথা বলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত্যুর খবর পান স্বজনেরা। পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ তোলা হয়। এ ঘটনায় তানিয়ার বাবা মো. কামাল গত সোমবার রাতে পটিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় স্বামী নুরু উদ্দিন, ননদ জোৎস্না আক্তার ও তার স্বামী মো. খোকনকে (৪২) আসামি করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ নুরু উদ্দিন ও তার বোন জোৎস্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। গতকাল মঙ্গলবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে নুরু উদ্দিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।












