জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান ও সুরে উদযাপিত হলো সঙ্গীত ভবনের হীরকজয়ন্তী ছয় দিনব্যাপী উৎসবের দ্বিতীয় দিন। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যাজুড়ে নজরুলের সুর–বাণীতে একক ও সমবেত সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি নজরুলের সুরে সমবেত বেহালা ও নৃত্য পরিবেশনা মুগ্ধ করে দর্শকদের। সংগীত ভবনের বিদ্যার্থীদের সমবেত পরিবেশনায়– ‘শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির নির্মল’ ও ‘ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে’ নজরুলের এ দুটি গান দিয়ে শুরু হয় ২য় দিনের অনুষ্ঠানমালা। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন– হৃদিতা চৌধুরী, চিরশ্রী সরকার, প্রাচুর্য চৌধুরী, ডা. অনিন্দিতা চৌধুরী, রিতভিক সাহা, বৈজয়ন্তী শৈলজা, ইলমিয়াত আল হোসাইনী, আরিফিন শামস, সুহাইরা শাওলি ফালাক, কৃষ্ণা বড়ুয়া ও আশাবরী ইরাবান। সঙ্গীত ভবনের আমন্ত্রিত সংগঠন হিসেবে অনুষ্ঠানে সমবেত নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন আর্য সংগীত সমিতির শিক্ষার্থীরা। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নটরাজ নৃত্যাঙ্গন একাডেমি। এছাড়া বেহালায় সমবেত দুটো নজরুলের গানের সুর বাজিয়ে শোনান ‘ভায়োলিনিস্ট চট্টগ্রাম’ এর শিল্পীরা। নজরুলের “প্রলয় শিখা” কাব্যগ্রন্থ থেকে বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদ এর সদস্যরা। উৎসবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নাট্যজন মুনির হেলাল, অধ্যাপক ড. অরূপ বড়ুয়া, ড. ইউসুফ ইকবাল, ড. মাসুম আহমেদ, আবদুল হালিম দোভাষ ও অধ্যাপক সুকান্ত ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন– সংগীত চর্চা হচ্ছে আত্মার খোরাক। নতুন প্রজন্ম হবে সংগীতের, শিল্পের, জ্ঞানের এবং উৎকর্ষের। সংগীত চর্চার এ ঐতিহ্যকে ধারণ করে দশকের পর দশক সঙ্গীত ভবন নতুন প্রজন্মকে শুদ্ধ সংগীত চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। আগামী দিলেও সমাজের সাংস্কৃতিক মনন গড়তে এ চর্চা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা রাখেন বক্তারা। –প্রেস বিজ্ঞপ্তি












