সঙ্গীত ভবনের হীরকজয়ন্তী উৎসব শুরু

| মঙ্গলবার , ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ at ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ

ষাট বছরের সংগীতচর্চার স্মৃতি ও ঐতিহ্যকে আগামী দিনের পথ চলার পাথেয় করে চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী সংগীত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান সঙ্গীত ভবনের ছয় দিনের হীরকজয়ন্তী উৎসব। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ছয় দিনব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন হয়। প্রথম দিনের আয়োজন জুড়ে ছিল রবীন্দ্রনাথের কথা–সুরে সংগঠনের শিল্পীদের একক–সমবেত পরিবেশনা। ছিল চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংগঠনের সমবেত বাঁশি–নৃত্যসহ অন্যান্য পরিবেশনাও। উৎসবের শুরুতেই সঙ্গীত ভবনের শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শুভ কর্মপথে ধর নির্ভয় গান’ ও ‘বিপদে মোরে রক্ষা করো’। এরপর একক ও দলীয় পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন পর্যায়ের গান তুলে ধরেন শিল্পীরা। মঞ্চে রবীন্দ্রনাথের গানের সুরে ছিল ‘ওডিশি অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টার’ শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন চসিক প্রশাসক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এই আধুনিকতার ও ব্যান্ডের যুগে একটি প্রতিষ্ঠান ষাট বছর শুদ্ধ সংগীত চর্চা করে যাচ্ছে এটা অনেক বড় বিষয়। সংগীত ভবনের এই পথ চলা নতুন প্রজন্মকে শুদ্ধ সংগীত চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে আশা ব্যক্ত করেন প্রশাসক। কবি আবুল মোমেন বলেন, সংগীত হচ্ছে সংস্কৃতির আত্মা। এই আত্মাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, সংগীত চর্চার পাশাপাশি মানুষকে জাগাতেও প্রতিষ্ঠানকে ভূমিকা রাখতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সংগীতকে নিয়ে যেতে হবে। অনুষ্ঠানে সংগীত ভবনের শিল্পীদের পাশাপাশি সংগীত পরিবেশন করেন বিভিন্ন শিল্পী ও আমন্ত্রিত সংগঠনের সদস্যরা। আয়োজকরা জানান, পরবর্তী চারদিন নজরুল, আধুনিক, পুরাতনী, লোকসংগীতের উপর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। শেষ দিন অনুষ্ঠিত হবে শাস্ত্রীয় সংগীত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধতিন দশক পর মিউজিক ভিডিওতে দিলারা জামান