তৃতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে শুভসূচনা করল গতবারের রানার্স আপ ফ্রান্স। নিউজার্সিতে গ্রুপ ‘আই’–এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে সেনেগালকে ৩–১ ব্যবধানে হারায় দিদিয়ে দেশমের শিষ্যরা। ম্যাচের প্রথমার্ধে চরম খাপছাড়া ফুটবল খেললেও, দ্বিতীয় অধ্যায়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের অতিমানবীয় পারফরম্যান্স এবং কোচ দিদিয়ের দেশমের ট্যাকটিক্যাল পরিবর্তনের ওপর ভর করে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। নিজের ৯৯তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে জোড়া গোল করে সব আলো কেড়ে নিয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক ও রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০০২ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এই সেনেগালের কাছেই ১–০ গোলে হেরে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ স্বপ্ন গ্রুপ পর্বেই ভেস্তে গিয়েছিল। সেনেগাল প্রথমার্ধে ফ্রান্সের ওপর ছড়ি ঘোরায়। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সকে চেনা রূপে ফেরাতে দারুণ এক কৌশলগত পরিবর্তন আনেন দেশম। বর্তমান ব্যালন ডি’অর জয়ী ওসমানে ডেম্বেলেকে ডান উইংয়ে পাঠিয়ে মাইকেল অলিসকে মাঝমাঠে এমবাপ্পের ঠিক পেছনে খেলার সুযোগ করে দেন। এই এক পরিবর্তনই পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে অলিসের বাড়ানো একটি চোখধাঁধানো পাস ডি–বক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান পায়ের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ডেডলক ভাঙেন এমবাপ্পে (১–০)। ৬০ মিনিটের মাথায় সাদিও মানের ধাক্কায় এমবাপ্পে বক্সে পড়ে গেলে ফ্রান্স পেনাল্টির আবেদন করেছিল, তবে রেফারি আলিরেজা ফাগানি ভিএআর দেখে তা নাকচ করে দেন। অবশ্য তাতে ফ্রান্সের জয়রথ থামেনি। ৮৫ মিনিটে রাবিওটের পাস থেকে বদলি খেলোয়াড় ব্র্যাডলি বারকোলা চমৎকার গোল করে ফ্রান্সকে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। ম্যাচ যখন একদম শেষ পর্যায়ে, তখন ৯৫ মিনিটে সেনেগালের হয়ে এক সান্ত্বনাসূচক গোল করে ব্যবধান ২–১ করেন ইব্রাহিম এমবায়ে। তবে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে (৯৬ মিনিটে) দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত রকেট শটে সেনেগালের জালে বল পাঠিয়ে ফ্রান্সের ৩–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে।











