সাগরিকা থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

শরীরে ছুরিকাঘাত

আজাদী প্রতিবেদন | রবিবার , ১৭ মে, ২০২৬ at ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ

নগরীর পাহাড়তলীর সাগরিকা এলাকা থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার পশ্চিম অলকা এলাকায় মীর কাশেম হীরুর ছেলে। পাহাড়তলীর মুরগি ফার্ম এলাকার তিনি বসবাস করতেন। পেশায় শ্রমিক ছিলেন। তবে একসময় রিকশাও চালিয়েছেন। গত শুক্রবার রাতে সাগরিকা এলাকার সাগরিকা রোডের কোস্ট ফ্যাক্টরির সামনের রাস্তা থেকে সাইফুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, সাইফুলের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে গুরুতরভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তবে কে বা কারা সাইফুলকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে সেটি এখনো জানা যায়নি। ঘটনাস্থল এলাকা ও এর আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজগুলো সংগ্রহ করে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটনাতে পারে সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এদিকে এ ঘটনায় গতকাল শনিবার ভিকটিম সাইফুল ইসলামের মা বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এতে মিরাজ নামের একজনকে আসামি করেছেন তিনি। পাশাপাশি অজ্ঞাত কয়েকজনকেও আসামি করা হয়। সাইফুল ইসলামের মতো মিরাজের বাসাও পাহাড়তলীর মুরগির ফার্ম এলাকায়। তারা একে অপরের প্রতিবেশী। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মিরাজের স্ত্রীর সাথে সাইফুলের অজ্ঞাত বিষয় নিয়ে সম্প্রতি ঝগড়া হয়েছিল। তবে সেই ঝগড়া থেকে এ হত্যাকণ্ড কি না সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। লাশ উদ্ধার পরবর্তী ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয় জানিয়ে নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী) রুহুল আমিন গতকাল রাতে দৈনিক আজাদীকে বলেন, সাইফুলের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কেন হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং কে বা কারা সাইফুল ইসলামকে আঘাত করে হত্যা করেছেসেটি খুঁজছি আমরা। আমাদের তদন্ত চলমান। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু বলা যাচ্ছে না। মিরাজের স্ত্রীর সাথে সাইফুলের ঝগড়া এবং এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মিরাজ সাইফুলকে ছুরিকাঘাত করেছে কি নাএমন প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, এভাবে বলা যাবে না। কী হয়েছে সেটি এখনো পরিষ্কার নয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চাই না
পরবর্তী নিবন্ধনির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধা দিলে জনগণই রুখে দেবে