ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নয়া দিল্লিতে একটি সংবাদ সম্মেলনে কীভাবে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক দিল্লিতে আওয়ামী লীগ একটি প্রোগ্রাম করছে– সাউথ এশিয়ান জার্নালিস্ট ক্লাব বা এই টাইপের নাম। সেখানে পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা বক্তব্য দিচ্ছেন। আমরা প্রতিবাদ করেছি, সরকারও প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু তারা বললেন যে এটা সরকারের কিছু করার নেই, এটি একটি আলাদা ইয়ে। ভাই, সরকারের অনুমতি ছাড়া একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দিল্লিতে কোনো অনুষ্ঠান করতে পারে? আর সেখানে পলাতক ফ্যাসিস্ট কথা বলবে, সেখানে সরকারের কিছু নেই?
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আইনি মামলার লড়াইয়ের জন্য লন্ডন থেকে যে লর্ড কার্লাইল এসেছিলেন, যখন তাকে ঢুকতে দিল না শেখ হাসিনা, তিনি যখন দিল্লিতে গিয়ে প্রেস কনফারেন্স করতে চাইলেন, তখন তো তাকে অনুমতি দিলেন না; তখন তাকে অনুমতি দিলেন না কেন? তাহলে আজকে এটা করলেন কেন? খবর বিডিনিউজের।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখন যারা নরম সুরে কথা বলছেন, এখন যারা বলতে চাচ্ছেন শেখ হাসিনা বোধ হয় তার আমলে ভালো ছিল ইত্যাদি ইত্যাদি– আমি মনে করি যে কিছু কিছু আওয়াজ আসছে, যারা এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছিলেন; কোনো না কোনো কারণে তাদের মধ্য থেকে এই জিনিসটি আসছে। তার একটা নমুনা বলি, কয়দিন আগে জামায়াতের আমিরের বাসায় একটি চিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। ওখানে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ আছে, মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন চিত্র আছে, জুলাই অভ্যুত্থানের চিত্র আছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের যিনি ঘোষণা দিলেন, স্বাধীনতার যিনি ঘোষণা দিলেন, তার কোনো ছবি নেই, তার কোনো কথা নেই, তার কোনো পোস্টার নেই! এটা তো ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। রহস্যজনক মনে হচ্ছে যে ঘটনা কী? ওখানে মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য বংশীবাদক যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন, তার কোনো কথা নেই, তার কোনো ছবি নেই। এটা অত্যন্ত গভীরে বিশ্লেষণ করে দেখার বিষয়।












