পটিয়া সংসদীয় আসনের এমপি এনামুল হক এনাম বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে যেসব নেতা ও দল দাঁড়িপাল্লা–মোমবাতি নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বেহেস্তের টিকেট বিক্রি করেছে তারা এখন জনগণের পাশে নেই। বিএনপি জনগণের কাছে নির্বাচনকালীন জনগণকে যে কমিটমেন্ট দিয়েছিল তা এখন অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে। তারা জনগণকে ধোঁকা দিতে জানে, কোনো কাজ করতে জানে না। তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, তারা কি এখন আপনাদের কোনো সেবা করতে আসে? আসে না। কিন্তু বিএনপি গণমানুষের দল। জনগণের সাথেই তারা সবসময় থাকবে।
গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার জিরি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কোটার পাড়া গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় এমপি এনামুল হক ফ্যামেলি কার্ডে অনিয়ম ও অর্থ দাবিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ কার্যক্রমে যারা অনিয়ম করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তথ্য সংগ্রহকারী এবং দলীয় নেতাকর্মীরা এ বিষয়ে কারো কাছে টাকা পয়সা দাবি করলে এক টাকাও না দিতে তিনি মা–বোন ও উপস্থিত মানুষের কাছে অনুরোধ জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমপি এনামুল হক এনাম মাঠে নিয়োজিত সুপারভাইজারদের হাতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য আধুনিক ট্যাব তুলে দেন। পরে তিনি নিজে উপস্থিত খেকে ফ্যামিলি কার্ডের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন।
পটিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ডের এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। বক্তব্য রাখেন পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মো. ফিরোজ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো. ইয়াছিন আরাফাত, জিরি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ইব্রাহীম সওদাগর, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন বাবুল, মো. জাকারিয়া, মো. খায়রুল আমিন বাবুল, মো. দিদারুল আলম, মো. নাছির, মো. সাজ্জাদ হোসেন রুবেল, মো. নেজাম উদ্দীনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, জিরি ইউনিয়নে মোট জনসংখ্যা ৪৪ হাজার ৫৭৬ জন, মোট পরিবারের সংখ্যা–৮৯৭০টি। এ ইউনিয়নে ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১ জন সুপারভাইজার ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে জানা যায়।











