চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পৃথক দুটি মন্দিরে চুরির ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া বিভিন্ন মালামাল, নগদ টাকা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজিসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক ৫টায় ফটিকছড়ি থানাধীন সুন্দরপুর ইউনিয়নের সার্বজনীন শ্রী শ্রী শিব ও মগধেশ্বরী মন্দিরে এবং ৩০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টায় লেলাং ইউনিয়নের শ্রী শ্রী মা মঙ্গল চন্ডী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। পৃথক ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় মামলা রুজু করা হয়।
ঘটনার পরপরই ফটিকছড়ি থানা পুলিশ চুরির ঘটনাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন তথ্য–উপাত্ত বিশ্লেষণ ও প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে চুরি হওয়া মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে– ৩টি পিতলের ঘট, ২টি পিতলের পঞ্চবটি প্রদীপ, ২টি ত্রিশূল, ১টি পিতলের ঘণ্টা, ৬টি পিতলের সরই, ৬টি স্টিলের ছোট–বড় প্লেট, ২টি চামচ, ১টি পিতলের বড় ঘট, ২টি পিতলের কোষা, ১টি বদনা, ১টি কাঁসার গামলা, ১টি গ্লাস, ৬টি পিতলের ছোট থালা, ১টি আরতি, ১টি দুর্গামূর্তি, ৪টি পিতলের বাটি, প্রণামী বক্সে থাকা ১,২০০ টাকা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টি সিএনজি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন– কুমিল্লা দাউদকান্দি থানার বাসিন্দা মোঃ ইউসুফ (৩২), ফটিকছড়ি উত্তর ধুরুং ছিদ্দিক চৌকিদার বাড়ির মোঃ হাশেম (৪২), উত্তর রাঙ্গামাটিয়া হামজার টিলা এলাকার মোঃ সাহাব উদ্দিন (৪১) এবং চট্টগ্রাম ষোলশহর আই কলোনির বাসিন্দা রুহুল আমিন (২৯)।
এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আলম খান বলেন– প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতারকৃতদের বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের দানবাক্সসহ অন্যান্য মালামাল চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত করা হচ্ছে এবং চক্রটির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












