সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় লটারি বহাল থাকছে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষায় বসতে হবে স্কুল পরিবর্তনে আগ্রহীদের। গতকাল মঙ্গলবার সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এন্ট্রি শ্রেণিতে এবং আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। খবর বিডিনিউজের।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশ করা এ নীতিমালায় বলা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষানীতি–২০১০ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর বয়স ‘৬ প্লাস’ ধরে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারি তারিখে শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত হবে। অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এ অনুসারে বয়স গণনা করতে হবে। শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণের জন্য ভর্তির আবেদন ফরমের সাথে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শ্রেণির একটি শাখায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা হবে ৫৫ জন।
ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি : প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষার মান বন্টন ও সময় : দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান হবে ৫০। এরমধ্যে বাংলা–১৫, ইংরেজি–১৫ ও গণিতে–২০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে এক ঘণ্টা। ৬ষ্ঠ–৯ম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান হবে ১০০। এরমধ্যে বাংলা–৩০, ইংরেজি–৩০ ও গণিতে–৪০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে দুই ঘণ্টা।












